কুমিলা প্রতিনিধি : সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা ফ্যাক্টরীতে আগুন গত সোমবার দিবাগত মধ্য রাতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটে। ওই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১১ জন নিহত হন। এর মধ্যে কুমিলার হোমনা, তিতাস ও মেঘনা উপজেলার ৭ জন ও ফেনীর একজন এবং ভারতের দু’জন। এ সংবাদ পেয়ে নিহতের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশী সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত মানুষ ভিড় জমায় নিহতের বাড়ীতে এক নজর দেখতে ও শান্তনা দিতে। ফলে জেলার হোমনা, তিতাস ও মেঘনা উপজেলায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
নিহতরা হলেন- কুমিলা জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দুলালপুর গ্রামের হাজী রুস্তম আলীর ছেলে মো. শাহ জালাল (৩৬), কালিপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. শাহ আলম (৩৬), একই উপজেলার দক্ষিণ নারানদিয়া গ্রামের জমসের আলীর ছেলে নাজির হোসেন (৩৫)।
হোমনা উপজেলার চান্দেরচর গ্রামের রমজান আলী ব্যাপারীর ছেলে মো. সেলিম (৩৫), হাজী মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে বাহাউদ্দিন (৩১), আছাদপুর ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. মতিউর রহমান (৩৩)।
মেঘনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে ও চন্দনপুর ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান আহসান উলাহর ভাতিজা মো. আব্দুল গাফফার (৩৫)।
জানা যায়- গত সোমবার ডিউটি শেষে ফ্যাক্টরির ভেতরে ফ্রেশ হয়ে কেউ রান্না ও কেউ টিভি দেখায় ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে পুরো ফ্যাক্টরিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ৯জন বাংলাদেশী অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হন। এর মধ্যে কুমিলার ৩ উপজেলা হোমনা, তিতাস ও মেঘনার ৭জন শ্রমিক রয়েছে এবং ফেনীর একজন। অপর দু’জন পার্শ্ব রাষ্ট্র ভারতে।




