আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : মাদক সেবীদের কথা মত দোকান থেকে গাঁজা এনে না দেয়ায় গত শনিবার রাতে নামাজ আদায় করতে মসজিদে ঢুকতে না দিয়ে বগুড়ার আদমদীঘির পার কাশিমিলা গ্রামের জনৈক ব্যাক্তির গোয়াল ঘরে আটক রেখে ইমন (১৫) নামের এক কিশোরকে মধ্যযুগীয় কায়দায় ঘরের তীরের সাথে ঝুলিয়ে মারপিট শরীরের সিগারেটের ছেঁকা ও শুচ ফুটিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন চালিয়েছে। রাতেই ইমনকে আদমদীঘি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানাযায়, আদমদীঘির পার-কাশিমালা গ্রামের রোস্তম আলীর ছেলে ইমন সান্তাহারস্থ একটি ফানিচারের দোকানে শ্রমিক হিসাবে কাজ করে। ইমনের মা সীমা বেগম জানান একই গ্রামের ৪/৫ জন বখাটে মাদক সেবী যুবক প্রায় সান্তাহার থেকে ইমনকে গাঁজা এনে দিতে বলে। ইমন তাদের কথায় সাড়া না দেয়ায় মাদক সেবীরা ক্ষিপ্ত হয়। গত শনিবার বিকেলে গাঁজা এনে দেয়ার জন্য চাপ দিলে কিশোর ইমন কৌশলে সটকে পড়ে। মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য ইমন মসজিদে ঢুকতে গেলে ওই মাদক সেবীরা তাকে জোড় পূর্বক তুলে নিয়ে জনৈক ব্যাক্তির গোয়াল ঘরে আটক রেখে ইমনকে ঘরের তালার তীরের সাথে ঝুঁলিয়ে মারপিট সহ মধ্যযুগীয় কায়দায় শরীরে জলন্ত সিগারেটের আগুনের ছেঁকা ও শুচ ঢুকিয়ে নির্যাতন করে। এতে ইমন মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাত ৯ টার দিকে ইমনের পরিবারের লোকজন জানতে পেরে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন। ইমনের মা জানান ভয়ে গ্রামে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। রাতে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান বাদী মামলা দিলে গ্রহন করা হবে।




