রাজিবপুর(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদে জ্বালানির নৌকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। চরনেওয়াজী নৌকা ঘাট থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য নৌকাটি চিলমারী ভাসমান ডিপোতে যাচ্ছিল।

ব্রহ্মপুত্র নদের মাদবপুর নামক স্থানে পৌঁছালে সশস্ত্র ডাকাতদল অন্য একটি ট্রলারে করে এসে তাদের গতিরোধ করে। এ সময় ডাকাতদল নৌকার মাঝি ও যাত্রীদের বেদম মারপিট করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন সহ প্রায় ১০ লাখ টাকা লুট করে। রবিবার সকাল ১০টার দিকে ওই ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে।
ডাকাতদের মারপিটে আহত হয়েছে ১০ জন । আহতরা হলেন কাজিম উদ্দিন (৫০), বাদশা মেম্বার(৫৫), আনোয়ার(৪৬), মশিউর রহমান(৫৭) ,শুক্কুর আলী,(২২)।
ডাকাতির শিকার নৌকাটির মাঝি মশিউর রহমান জানান, চরনেওয়াজী ও কাউনিয়ার বাজারের কমপক্ষে ১০ জন ডিজেল কেরোসিন ব্যবসায়ির ৬ লক্ষাধিক নগদ টাকা ছিল। ড্রামে করে চিলমারী ভাসমান ডিপো থেকে জ্বালানি কেনার জন্য যাওয়া হচ্ছিল।

ডাকাতির শিকার ডিজেল কেরোসিন ব্যবসায়ি আনোয়ার বলেন যে এই টাকা গুলি নয়ারচর ও কাউনিয়ার চর বাজারের দোকানদের । তারা হলেন শহিদুর(২৫),সালাম(৩৫),সিরাজুল(৪৫) শুক্কুর(৪৬) ইয়াকুর(৫৩)আলম(৩৬) ছলিম (৪৩), আ:হক (৫৪) ফরিদ(৪২) তারা (২৫),মিষ্টার (২৯) মশিউর(৫৬), আনোয়ার(৩৪) ।
এ ছাড়াও চিলমারী হাটে যাওয়ার জন্য আরো ১০ জনের মতো ব্যবসায়ী ছিল। ডাকাতরা নৌকায় সবার কাছ থেকেই টাকা-পয়সা লুট করে নেয়।
ডাকাতদের হাতে আহত জহুরুল ইসলাম জানান, যে স্থানে ডাকাতরা হামলা করে তার পূর্বপাশেই ছিল ঢুষমারা থানা পুলিশ ফাঁড়ি।
এ সময় ব্রক্ষপুত্র নদে পুলিশের কোনো টহল ছিল না।
ডাকাতি করে ডাকাতদল চলে যাওয়ার পর ঢুষমারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ২০/২৫ জনের ডাকাতদলের সবার হাতেই রাম দা, ছুরি ও একজনের হাতে পিস্তল ছিল বলে জানান তিনি। ডাকাতি করার পর ডাকাতদল নৌকার শ্যালো মেশিনটি বিকল করে চলে যায়।
ডাকাতিরোধে ব্রহ্মপুত্র নদে অবস্থিত ঢুষমারা (জলথানা) থানার ওসি মেজবাউল ইসলাম ডাকাতির ঘটনা স্বীকার করে বলেন, ‘পুলিশের টহল বের হয়েছে। ডাকাতদের ধরার জন্য নদে অভিযান নামানো হচ্ছে।




