ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনে চিকিত্সার নামে র্ফামেসীর মালিক কর্তৃক প্রবাসীর স্ত্রীকে জোর করে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় লালমোহন পৌর শহরের উত্তর বাজারের সজিব মেডিকেল হলে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১১টায় লালমোহন পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকার সজিব মেডিকেল হলের মালিক ডা.বাদলচন্দ্র কর্মকারের ফার্মেসীতে লালমোহন সদর ইউনিয়নের মুন্সির হাওলা গ্রামের মৃত আবুল কালামের মেয়ে ও প্রবাসী আঃ রহিমের স্ত্রী (২৩) বাদল কর্মকারের কাছে চিকিৎসা নিতে আসে। র্ফামেসীর মালিক ডাঃ বাদল তাকে পিছনের রুমে নিয়ে চিকিৎসার নাম করে দোকান ঘরের পিছনের রুমের দরজা জানালা বন্ধ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষিতা ডাক্তার কে অসুস্থ্যতার কথা বলেও সে এই নরপিচাশ থেকে মুক্তি পায়নি। পরে স্থানীয় লোকজন ও পাশের ব্যবসায়ীরা তাকে গণধোলাই দিয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ বাদলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এঘটনায় বাদল কর্মকারকে আসামী করে ভিকটিম লালমোহন থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। লালমোহন থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যেগে চরফ্যাশনের দক্ষিন আইচায় অতি দরিদ্র সদস্যদের দুই দিন ব্যাপী বসত বাড়ীতে সব্জি চাষ প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত
বেসকারী উন্নয়ন সংস্থা কোস্ট ট্রাস্ট এর আয়োজনে ভোলা জেলার দক্ষিন আইচায় চর মানিকা ইউনিয়নের চর কচ্ছপিয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিন ব্যাপী বসত বাড়ীতে সব্জি চাষ প্রশিক্ষন। পুষ্টি নিরাপত্তা ও ক্ষুদা দারিদ্রতা হ্রাস করার লক্ষ্যে ইউরোপিয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পিকেএসএফ-এর সহযোগীতায় উজ্জীবিত প্রকল্পের আওতায় উক্ত প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষনে ২৫ জন অতি দরিদ্র সদস্য অংশগ্রহন করেন।
প্রশিক্ষনে সব্জির জাত, আধুনিক পদ্ধতিতে অধিক উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল, রোগ বালাই ও তার প্রতিকারের উপায়, স্বল্প পরিমানে উন্নত প্রযুক্তিতে সারাবছর বসতবাড়িতে সব্জি উৎপাদন এবং আয়বর্ধন মূলক কান্ডে যুক্ত হওয়ার কৌশল সমুহ নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষনে সহায়ক ছিলেন, চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি স¤প্রসারন কর্মকর্তা, চন্দন দেবনাথ ও উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মো: ছানাউল¬াহ আজম। প্রশিক্ষনে সহায়কের ভূমিকায় স্থানীয় সফল খামারী আইরিন বেগম ও শাহিনুর বেগম সব্জি চাষে তাদের অভিজ্ঞতার বিষয়টি তুলে ধরেন। প্রশিক্ষনে আরও যারা সহায়কের ভূমিকায় ছিলেন, প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো: মিজানুর রহমান, ব্যবস্থাপক টেকনিক্যাল সাপোর্ট মাকসুদুর রহমান, প্রোগ্রাম অফিসার টেকনিক্যাল জামাল ও বাবুল, প্রোগ্রাম অফিসার টেকনিক্যাল শ্যামল এবং শাখা ব্যবস্থাপক রুহুল আমিন।




