মেহের আমজাদ, মেহেরপুর : মেহেরপুরে পানি নিয়ে জীবনের ছন্দপতন ঘটাতে বিক্রি হচ্ছে নিম্নমানের পানি। পানির অপর নাম জীবন হলেও প্রতিটি ফাস্টফুড আর হোটেল রেস্তোরায় বিএসটিআই এর অনুমোদনহীন ড্রিংকিং ওয়াটার সরবরাহ করে ক্রেতাদেরকে পান করানো হচ্ছে। পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোন বৈধতা ছাড়াই এবং সরকারের অনুমতি না নিয়েই মানহীন পানি প্লাস্টিক জারে করে প্রকাশ্যে বানিজ্যিক ও আবাসিক এলাকাতে বিক্রয় করে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। যার জন্য পানিবাহিত রোগের আশংকা থাকলেও দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। তাই অসাধু এই ব্যবসায়ীদের কাছে মানুষ আজ জিম্মি হয়ে পড়েছে। ভোক্তা অধিকার সংগঠনের এক তথ্যে জানা গেছে বাজারজাতকৃত জারের পানিতে লেডক্যাডলিয়াম, পলিফরম ও জিংক উৎপাদনের অস্তি¡ত্ব রয়েছে। এসব পদার্থ মানবদেহের জন্য ক্ষতিক্ষর। কেননা জারের পানিগুলোতে ফিল্টট্রেশন (ছাকনা প্রক্রিয়া) করা হচ্ছে না নিয়ম অনুযায়ী। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ডাঃ হিমাশু পোদ্দার বলেন বাজারে সরবরাহকৃত জারের পানিতে অল্পমাত্রায় লোহা, সীসাযুক্ত থাকা সম্ভাবনা শতকরা আশি ভাগ। তাই দীর্ঘদিন ধরে এই পানি ব্যবহার করলে মানুষের কিডনি,লিভার ক্ষতি ও উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন কি ক্যান্সারের সম্ভাবনাকে ছোট করে দেখা যাবে না। অন্যদিকে মেহেরপুরে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা সেইভাবে না থাকাতে মিনারেল ওয়াটারের নামে বিভিন্ন নামহীন কোম্পানী বাজারটা তাদের দখলে রাখবার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মানহীন ড্রিংকিং ওয়াটার বাজারটা রেখেছে দখলে। আর ভোক্তা সাধারনকে জিম্মি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এরপরেও স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল কর্তাগুলো চুপ থাকাতে সচেতন মানুষের প্রশ্ন ও কৌতুহল থেকেই যাচ্ছে। অনুমোদনহীন ও মানহীন ড্রিংকিং ওয়াটার রুখবে কে ? এর দায় কার ?




