নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুর গোয়েন্দা শাখার উপ পুলিশ পরির্দশক (এসআই) মিঠু মিয়া বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী গ্রামের ৩ শতাধিক গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাসল্ট ও মাদক দ্রব্য আইনে ২ টি মামলা দায়ের করেছেন। ২৬ মার্চ বুধবার বেলা ২ টার দিকে নালিতাবাড়ী থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। মাদকদ্রব্য মামলায় ৩ জন এবং পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় ২৫ জন কে নামে এবং অজ্ঞ্যাত নামা আরও ২৫০-৩০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার নন্নী বাজাওে শেরপুর ডিবি পুলিশের একটিদল অভিযান চালায়।এ সময় ১২ বোতল ভারতীয় মদসহ হাবিবুর রহমান ওরফে মেসি (২১) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শাহীন মিয়া (২৮) নামে স্থানী এক মোবাইল মেরামতকারীকে মদ ও জাল টাকার ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত করে হাতে হ্যান্ডকাপ পড়ায় এতে করে স্থানীয় উপস্থিত জনতা ডিবি পুলিশে সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশ পিস্তল বের করে গুলি করতে চাইলে, উত্তেজিত জনতা তাঁদেরকে গণধোলাই দিয়ে নন্নী ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে আটক করে রাখে। ওই সময় শেরপুর গোয়েন্দা শাখার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাফর আলী খা, মিঠু মিয়া,সহকারী উপ-পরিদর্শক(এএসআই) হাবিবুর রহমান চকদার, কনস্টেবল কবির হোসেন ও আব্দুল আওয়াল আহত হন। পরে খবর পেয়ে নব নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম মোখলেছুর রহমান রিপন ও নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম গঠনাস্থলে পৌছে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে তাঁদেরকে মুক্ত করেন। এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের উপ পরির্দশক (এসআই) জাফর আলী খাঁ বলেন, অভিযুক্ত আসামী শাহীন মিয়া কে আটক করায় উপস্থিত স্থানীয় এলাকাবাসী আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারধোর করে এবং আসামী ছিনিয়ে নেয়।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের নব র্নিবাচিত চেয়ারম্যান একেএম মোখলেছুর রহমানবলেন, মামলায় নামে বেনামে ৩ শতাধিক আসামী করা হয়েছে। আমিও চাই প্রকৃত অপরাধিদের চিহিৃত করা হোক। এতে যেন কোন নিরপরাধ কেউ হয়রানীর শিকার না হয়। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ওই ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশের উপর হামলা ও মাদক আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




