খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) : শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় ২৫ মার্চ মঙ্গলবার রাতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শীলাবৃষ্টিতে এলাকার ঘর-বাড়ী, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ফলে ওইসব এলাকার কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কৃষকদের সবর্স্ব কেড়ে নিয়েছে কালবেশাখী ঝড় ও শীলাবৃষ্টি। রাত ১১টায় বয়ে যাওয়া ২০ মিনিটের স্থায়ী কালবৈশাখী ঝড়ে এ ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হচ্ছে নলকুড়া ইউনিয়নের হলদিগ্রাম, গোমড়া, ফাকরাবাদ, মানিককুড়া ও সমশ্চুড়া। ২৬ মার্চ বুধবার সরেজমিনে ঘুরে এসব এলাকার কৃষকদের ঘর-বাড়ী, ফসলের ক্ষয়ক্ষতি প্রত্যক্ষ করা গেছে।

হলদিগ্রামের হাতেম আলী জানান, ৫০ শতাংশ জমিতে তিনি বেগুনের আবাদ করেছিলেন। এ আবাদটুকু তার পরিবারের সদস্যদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। শীলাবৃষ্টিতে ওই আবাদের ক্ষতিসাধিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ১ একর জমির ধান ও ৫০ শতাংশ জমির শীম ক্ষেত, আব্দুর রাজ্জাকের ৫০ শতাংশ জমির পেঁয়াজ ক্ষেত, আব্দুলাহর ৫০ শতাংশ জমির ধান ক্ষেত, মফিজ আলীর ২ একর জমির ধান ক্ষেত, মো. ছামিউলের ২ একর বেগুন ক্ষেত, আবুল কালামের ৫০ শতাংশ জমির বরবটি, আবু তাহের ৫০ শতাংশ জমির গমক্ষেত, মোতালেব হোসেনের ১ একর ধানের ক্ষেতসহ এলাকার শতশত কৃষকের বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। কালবৈশাখী ঝড় ও শীলাবৃষ্টিতে রাত ১১টা থেকে পরদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।
ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান জানান, ওই ৪টি গ্রামের কৃষকের পুরো বোরো আবাদ ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তবে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. কোরবান আলী বলেন, তাদের কর্মকর্তাদের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের জন্যে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।




