ads

সোমবার , ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হোসেনপুরে আলুর বাম্পার ফলন হলেও লোকসান গুণছে কৃষকরা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৪ ৩:২৪ অপরাহ্ণ

dsfএস.এম.তারেক নেওয়াজ, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন সত্বেও ন্যয্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকদের বিঘা প্রতি লোকসান গুনতে হচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা।ফলে অনেক কৃষক লোকসানের ভয়ে ক্ষেত থেকে আলু তুলতে চাচ্ছেনা।কেউ কেউ বাকিতে ফড়িয়াদের নিকট আলু বিক্রি করেও যথা সময়ে টাকা না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।

Shamol Bangla Ads

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গ্রাম-গঞ্জের সর্বত্রই আলু তুলার হিড়িক পড়লেও ক্রেতার অভাবে কৃষকরা দুচিন্তায় পড়েছেন। অনেকেই জমি থেকে আলু তুলে স্তুপ করে ফড়িয়াদের (মধ্যস্বত্বভোগী) জন্য রেখে দিলেও আশানুরোপ ক্রেতা মিলছেনা।অনেক ক্ষেত্রে বিক্রেতা বেশি হওয়ায় ফড়িয়ারা বাকিতে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে আলু ক্রয় করে নিজেরা লাভবান হলেও কৃষকরা লোকসানের কবলে পড়েছেন। উপজেলার সাহেবের চর গ্রামের আদর্শ কৃষক বাদল মিয়া,চর-হাজিপুর গ্রামের কৃষক মজনু মিয়া,জলিল মিয়াসহ অনেকেই জানান, এ বছর আলুর ফলন ভাল হলেও ন্যয্যমূল্য না পাওয়ায় তারা মোটা অংকের লোকসানে পড়েছেন।তারা আরও জানান, এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে বীজ ক্রয়,জমি প্রস্তুত,সার-কীটনাশক ও শ্রমিক মুজুরীসহ মোট উৎপাদন খরচ হয়েছে ১৫-১৬ হাজার টাকা। কিন্তু গ্রেনুলা ও ডায়মন্ড জাতের আলুর বিঘা প্রতি ফলন হয়েছে গড়ে ৬০-৬৫ মন। কিন্তু প্রকার ভেদে প্রতি মন আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা।সে হিসাবে কৃষকের বিঘা প্রতি গড়ে লোকসান হচ্ছে ৬ হাজার টাকা।গত বছর এ সময়ে এ সব জাতে আলু মন প্রতি বিক্রি হয়েছে গড়ে ৬০০-৮০০ টাকা।
লোকসানের কারন জানতে চাইলে উপজেলার জামাইল গ্রামের কৃষক নবী হোসেন ও নরুল হকসহ অনেকেই জানান,গত ডিসেম্বর মাস জুড়েই ছিল হরতাল-অবরোধসহ রাজনৈতিক অস্থিরতা।ফলে অনেক কৃষকের আলু তুলার সময় হলেও ভয়ে ক্ষেত থেকে তুলে হাটে নিতে পারেনি।তাছাড়া টানা রাজনৈতিক সহিংসতার করনে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে হোসেনপুর আলুর মোকামে পাইকার আসেনি।কিন্তু জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকায় কৃষকরা পুরোদমে ক্ষেত থেকে আলু তুলে বাজারজাত শুরু করেছে।এতে উপজেলার প্রতিটি হাটে আলুর আমদানি অস্বাভাবিক বেড়ে গেলেও চাহিদা মাফিক ক্রেতা বা পাইকার না থাকায় মূলতঃ আলুর দর পতন ঘটছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুলতান আহম্মদ জানান,এ বছর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে আলু চাষের লক্ষমাত্রা ২৮০ হেক্টর নির্ধারণ থাকলেও আবাদ হয়েছে অনেক বেশি। তবে সংরক্ষণ সংকটে কৃষকরা একযোগে আলু বিক্রি করায় তারা ন্যয্যমূল্য পাচ্ছেনা।তাই তিনি এ উপজেলায় একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!