ঢাকার লিগের ক্লাব সংগঠকরা বিসিবির নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র দেখতে পেয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন, একটি মহল অ্যাডহক কমিটি গঠনের চেষ্টা করছে। ক্লাব সংগঠকদের সে অভিযোগ ভুল প্রমাণ করে নির্বাচনের সময় ঠিক করে ফেলেছে বিসিবি। গতকাল সিলেটে পরিচালনা পর্ষদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে (৪ অক্টোবর সম্ভাব্য) বিসিবির কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিসিবির সিনিয়র সহ সভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিম সংবাদ সম্মেলনে জানান, ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে নির্বাচন কমিশন গঠনের পর। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে দেওয়া হয়েছে কমিশন গঠনের দায়িত্ব। একজন বিচারপতি, একজন পুলিশ কর্মকর্তা ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) একজন কর্মকর্তা থাকবেন নির্বাচন কমিশনে। সেদিক থেকে বলতেই পারেন নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছে বিসিবি।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল আবেদীন নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলে কার্যক্রম দ্রুত এগোবে। বিসিবি গঠনতন্ত্রের নির্দেশিকা মেনে সংশ্লিষ্ট ক্লাব ও সংস্থাগুলোকে কাউন্সিলরের নাম পাঠাতে বলা হবে।

জানা যায়, কাউন্সিলরদের ভোটে তিন ক্যাটেগরিতে ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। ক্লাব ক্যাটেগরিতে ১২ জন, বিভাগীয় ক্যাটেগরিতে ১০ ও অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাবেক ক্রিকেটারদের ক্যাটেগরি থেকে একজন পরিচালক থাকেন। বাকি দুজন পরিচালক এনএসসি মনোনীত। বর্তমানে বুলবুল ও নাজমুল আবেদীন এনএসসি কোটায় বিসিবি পরিচালক। আজ-কালের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করার ব্যাপারে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের ২১তম সভায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিপিএল পরিচালনা করতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আইএমজিকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইএমজি দ্রুত বিপিএল আয়োজনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবে বলে জানান নাজমুল আবেদীন। ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি হতে পারে বিপিএলের দ্বাদশ আসর।
এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে নাজমুল আবেদীন বলেন, আমাদের চেষ্টা থাকবে যত দ্রুত সম্ভব তাদের সুপারিশ, অনুযোগগুলো বা যে উপস্থাপনাগুলো আছে, সেটাকে এগিয়ে নেওয়া। কারণ আমরা মনে করি, এটা খুব দ্রুত করা দরকার। ইন্টিগ্রিটির প্রশ্নে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।তিনি আরও বলেন, তদন্ত করার দায়িত্ব ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংস কমিটির ছিল না। তারা সুপারিশ করেছে। সেই আলোকে কাউকে অভিযুক্ত করতে হলে পুরো তদন্ত করতে হবে। রিপোর্টটি পড়ে বিসিবি কী করবে, সে ব্যাপারে পরামর্শ দেবে ৪ সদস্যের কমিটি।




