ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা,তীব্র শীতের হিমেল হাওয়া আর শৈত্য প্রবাহে পিরোজপুর সহ দক্ষিণের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ। যাদের সংসার নির্ভর করে প্রতিদিনের শ্রমের উপর তারাই বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। বঙ্গোপসাগর তিরবর্তী উপকূলীয় দক্ষিণ জনপদের জেলে সহ অসহায় দুস্থ ও ছিন্নমূল পরিবার গুলোর মাঝে দেখা দিয়েছে শীত বস্ত্রের অভাব। ইতোমধ্যে সরকারি ভাবে কিছু কম্বল বিতরণ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র গুলিতে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। শৈত্য প্রবাহের হিমেল হাওয়া আর ঘনকুয়াশার চাঁদরে ঢাকা দক্ষিণের জনপদ। পিরোজপুরের হুলারহাট নৌবন্দর,সাইদখালী, পারের হাটের আবাসন ,খেতাচিরা ,জুনিয়া, হরিনপালা,তেলিখালী সহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে গত দুদিনে দুপুরের পর সূর্য্যের মুখ দেখা গেলেও শীতের তীব্রতা কমেনি। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে ব্যবসা বাণীজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। যে সকল স্থানে অন্য সকল সময়ে জনসমাগম বেশী দেখা যেত সে সকল জায়গায় তীব্র শীতের কারণে জনসমাগম অনেক কম লক্ষনীয়। দক্ষিনালঞ্চ থেকে রাজধানী ঢাকা সহ সাতক্ষীরা,খুলনা,বাগেরহাট,বরিশাল সহ অন্য সকল যায়গার সাথে সড়ক ও নৌ পথে চলাচলের যানবাহন গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। সন্ধ্যা নেমে আসলেই গ্রামীনজনপদের হাট,বাজার,রাস্তা ঘাট ফাঁকা হয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে সকালে প্রায়শই ১০টা ১১টার দিকেও দুরপালার পরিবহনের হেড লাইট জ্বালিয়ে চালাতে দেখা গেছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাহির হয়না। অতীতে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে নানা সময়ে অনেকে বিভিন্নস্থানে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও এবছর সে রকম চোখে পড়ার মত দেখা যায়না। তাই এসকল এলাকার ছিন্নমূল পরিবার গুলোর এখন একটি শীতবস্ত্র পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে ।




