ঝালকাঠি সংবাদদাতা : ঝালকাঠি সদর ও রাজাপুর উপজেলায় ৬শ ৯৪ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সূর্যমুখী চাষে ২ উপজেলার প্রায় ১ হাজার কৃষককে জড়িত করে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে ব্র্যাক কৃষি কর্মকর্তা চম্পক কুমার আইচ জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, শস্য ভান্ডার খ্যাত বরিশালের ঝালকাঠিতে সূর্যমুখী চাষ লাভজনক হওয়ায় এ চাষের প্রতি ঝুঁকে পড়ছেন কৃষকরা। গত বছরের তুলনায় এ বছর কৃষকরা চাষের জমির পরিমাণ বাড়িয়েছেন। ঝালকাঠি সদর ও রাজাপুর উপজেলার ৬ শ ৯৪ একর জমিতে ৯ শ ৪৭ জন কৃষক সূর্যমুখীর চাষ করছেন। আমন ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গে একই মাঠে চাষ দিয়ে সূর্যমুখীর বীজ রোপণ শুরু করেছে কৃষকরা। সূর্যমুখী চাষে প্রতি একরে ১৪ হাজার টাকা খরচ করলে ৩০ মেট্রিক টন উৎপাদন করা সম্ভব। এ হিসেবে প্রতি একর জমিতে কৃষকরা সূর্যমুখীর চাষ করে ৩৬ হাজার টাকা বিক্রি করে নিট ২২ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব বলে আশা করছেন কর্তৃপক্ষ। বাজারে সূর্যমুখী তেলের প্রতি মণ বিক্রি হয় ১৪ হাজার টাকা দরে। সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হুমায়ুন কবির জানান, সূর্যমুখী তেল কোলেস্টরল মুক্ত এবং হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিকস রোগীদের জন্য এ তেল আদর্শ ভোজ্য তেল হিসেবে পরীক্ষিত।




