ads

রবিবার , ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩ | ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অবরোধ ও হরতালে চাঁদপুরের হাট বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ১৫, ২০১৩ ৬:১৬ অপরাহ্ণ

clip_image001চাঁদপুর প্রতিনিধি : দেশের বিরাজমান রাজনৈতিক সহিংসতা ও নাশকতার কারণে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। প্রধান বিরোধীদলের নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট কথায় কথায় লাগাতার অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে। আর এতে পরিবহনে আগুন দেয়া ও ভাংচুর করা হচ্ছে। এমনকি পরিবহন চালক ও শ্রমিকদেরকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে। এই জন্য পরিবহন চলাচল না করার কারণে চাঁদপুরের ব্যবসায়ীরা মোকাম থেকে মালামাল আমদানী করে আনতে পারছেনা।
গত মঙ্গলবার থেকে টানা ৩ দিনের অবরোধ শেষ হয়েছে গত শুক্রবার ভোর ৬টায়। এর পূর্বে ২বার প্রধান বিরোধীদল তথা ১৮ দলীয় জোট অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছিল। তাতেও অনেক পরিবহনে ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়। বেশ কয়েকজন চালক ও শ্রমিক ঐ আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যায়। গত শুক্রবার ও গতকাল শনিবার দেশে অবরোধ ও হরতাল মুক্ত থাকায় চাঁদপুরের ব্যবসায়ীদের মাঝে যেন হাঁসি ফুটে উঠে। পালবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, হরতাল আর অবরোধের কারণে পরিবহন সঙ্কটের মধ্যেও মোকাম থেকে মালামাল অধিক দামে ক্রয় করতে হয়েছে। পূর্বে আমরা মালামাল পরিবহনে ৭-৮ হাজার টাকায় ট্রাক ভাড়া করতাম। কিন্তু বর্তমানে সহিংসতার মধ্যে সেই সব গাড়ি ভাড়া করতে হচ্ছে ২০-২৫ হাজার টাকা। তা ছাড়া অবরোধের কারণে মোকামে মালামাল আসতে পারছেনা। যে পরিমাণ মালামাল আছে তা আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এ জন্য চাঁদপুরে হাট বাজারে পেঁয়াজের দাম সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
তার কারণ হলো অবরোধ আর হরতালের জন্য ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে না পারা। চাঁদপুরের আড়ৎগুলোতে ৮৫-৯০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা সেই পেঁয়াজ ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছে। নিত্যদ্রব্যের বাজারে এর প্রভাব দেখা দিয়েছে। নতুন আলু প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা, করলা ৪৬ টাকা, পুরানো আলু ১৬ টাকা, শিম, ৪০-৭০ টাকা অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিচ ফুলকপি ও বাধাকপি ৪০-৫০ টাকা, প্রতি পিচ লাউ ৫০-৬০ টাকা, প্রতি কেজি মুরগী (ব্রয়লার) ১২০-১৩০ টাকা, গরুর গোস্ত প্রতি কেজি ২৮০ টাকা, ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা, লালশাক ২০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, শশা ২০ টাকা, রসুন ১১০ টাকা, আদা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ডাল কেজি প্রতি ৪-৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও ২-৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এ কারণে ক্রেতা সাধারণ খেসারত দিতে হচ্ছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানায়, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাজারের ব্যবসায়ীদের কোন শান্তি নেই। কেননা দেশ শান্ত হলে আমরা সঠিকভাবে পণ্য সংগ্রহ করতে পারবো এবং ক্রেতার কাছেও সঠিক দামে তা বিক্রি করতে পারবো।

Need Ads
error: কপি হবে না!