জাকির হোসেন, ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ছাতকে আ’লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে পুলিশের কাজে বাঁধা দেয়ায় ৪০জনের নাম উলেখ করে বিএনপির ৪শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একটি পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের করা হয়। রোববার রাতে এসআই সাইফ উলাহ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এদিকে সংঘর্ষে ছাতক টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুদুল ইসলাম মাসুদ তালুকদার নিহতের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী চপল জানিয়েছেন। এ ঘটনায় রোববার রাতে গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিএনপি নেতা ফজলুল করিম বকুলকে তার নিজ বাড়ি শ্রীনগর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শহরে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি টহল জোরদার করা হয়েছে। অপরদিকে গতকাল সোমবার বিকেল ৩টায় নিহত ছাত্রলীগ নেতা মাসুদুল ইসলাম মাসুদ তালুকদার স্মরনে উপজেলা আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক শোকর্যালী বের করা হয়। র্যালীটি ছাতক হাইস্কুল মাঠ থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। জেলা আ’লীগ নেতা ও ছাতক পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি আবরু মিয়া তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছানাউর রহমান ছানা, কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য শামীম আহমদ চৌধুরী, কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মাসুদ কামাল সুফি, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফজলে রাব্বি স্মরন, সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদ, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আজির উদ্দিন, পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অজয় ঘোষ, নোয়ারাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আফজাল আবেদীন আবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি, প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আহবাব মিয়া তালুকদার সাজু’র নেতৃত্বে একটি বিশাল শোকর্যালী শহর প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া শোকর্যালীতে আ’লীগ নেতা দেওয়ান আবুল কালাম, রেজা মিয়া তালুকদার, কল্যাণব্রত দাস, চম্পু দত্ত, ছাত্রলীগ নেতা সজিব মালাকার, সুব্রত হালদারসহ আ’লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ সর্বস্থরের মানুষ অংশ গ্রহন করে।




