জাকির হোসেন, ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে আ’লীগ ও বিএনপি-জামায়াতের ত্রি-মুখী সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে গোবিন্দগঞ্জের অটোটেম্পু শ্রমিক নেতা রুকন উদ্দিন রুবেল বাদী হয়ে ১৫জনের নাম উল্লেখ করে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে এ ঘটনায় পুলিশের উপর হামলা ও আইনী কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ এনে এসআই শাহিন মিয়া বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ বিএনপি-জামায়াতের অজ্ঞাতনামা ৫শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপর একটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা দায়ের করা হয়। অপরদিকে মঙ্গলবার রাতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর গোবিন্দগঞ্জ এলাকা থেকে মোতায়েন করা ২ প্লাটুন বিজিবি প্রত্যাহার করা হয়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দিনভর আ’লীগ ও বিএনপি-জামায়াতের ত্রি-মুখী সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার বিকেলে পুলিশ মঈন উদ্দিন (২৫) নামের এক শিবিরকর্মীকে আটক করেছে। সে দিঘলী-চাকলপাড়া গ্রামের আফাজ উদ্দিনের পুত্র। এ ব্যাপারে ওসি শাহজালাল মুন্সি আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলসহ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান। এদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ নামধারীদের হামলা এবং মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক আ.স.ম খালেদ, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোশতাক আহমদ, শামছুল হক নমু, সৈয়দ তিতুমীর, ছাতক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাবেল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামছুর রহমান শামছু, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি সালেহ আহমদ, পৌর যুবদলের সভাপতি, কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন, শ্রমিকদলের সভাপতি মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শফি উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি বাকি বিল্লাহ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সায়েম আলম, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মুলক দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।




