স্টাফ রিপোর্টার : এবার ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নন্নী পশ্চিমপাড়া মিসবাহুল উলুম কওমী মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছেন মোরগ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সাধারণ সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলাম। ২৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে রিটার্নিং অফিসারসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে ওই দাবি জানান তিনি।
অভিযোগে প্রকাশ, নন্নী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মিসবাহুল উলুম কওমী মাদ্রাসা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুবুর রহমান রিটনের যোগসাজসে সাধারণ সদস্য প্রার্থী মোঃ আবুল কালাম আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বী সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলামের ভোটারদের হুমকি-ধামকীসহ বাধা প্রদান স্বত্বেও ১৭৩০ ভোটের মধ্যে ভোট পড়ে ১২১১ টি। ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ আজহারুল ইসলাম ও পুলিশ অফিসার (সার্জেন্ট) এসএম মাহমুদুল হাসানসহ অন্যান্যদের পক্ষাশ্রিত ভূমিকায় অভিযোগকারী সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলামের মোরগ প্রতীকের কিছু ভোট অবৈধ বলে বাতিল করা হয় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ফুটবল প্রতীকের কিছু ভোট অবৈধ হওয়া স্বত্বেও সেগুলো বৈধ বলে গণ্য করা হয়। এরপরও মোরগ প্রতীকের ভোট সংখ্যা ৫শ ৮৬ এবং ফুটবল প্রতীকের ভোট ৫শ ৭৩ হওয়া স্বত্বেও ফলাফল পাল্টে মোরগ প্রতীকের ভোট ৫শ ৭৩ ও ফুটবল প্রতীকে ৫শ ৮৬ ভোট দেখানোর পদক্ষেপ নেওয়ায় মোরগ প্রতীকের এজেন্ট মোঃ শাহজাহান প্রতিবাদ করলে তাকে নানাভাবে ভয় দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ফুটবল প্রতীকের পক্ষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।




