ads

বৃহস্পতিবার , ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ‘একটি বাড়ী একটি খামারের’ উপকারভোগীদের বিভাগীয় কমিশনারের সাথে উঠোন বৈঠক

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬ ৫:০৯ অপরাহ্ণ

Uthon Boithok-2স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের উপকারভোগীদের উঠোন বৈঠকে হাজির হয়ে তাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার জি.এম. সালেহ উদ্দিন। ১০ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কান্দা শেরীরচর নয়াপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের সাথে স্থানীয় শফিক মেম্বারের বাড়ী প্রাঙ্গণে ওই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিয়াউল ইসলাম, বিআরডবি উপ-পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম, সদর ইউএনও মোহাম¥দ হাবীবুর রহমান, এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউপি চেয়ারম্যান মিনহজ উদ্দিন মিনাল, প্রকল্পের সমন্বয়কারী ফিরোজ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগীয় কমিশনার সমিতির সদস্যদের সঞ্চয় ও ঋণদান বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং ঋণ নিয়ে সদস্যরা কি ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন সে সম্পর্কে জানতে চান। এসময় সদস্যরা তাদের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা জানান। বিভাগীয় কমিশনার তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সঠিকভাবে সঞ্চয় করা এবং ঋণ গ্রহণ করে ঠিকমতো প্রকল্প গ্রহণ এবং সময়মতো পরিশোধ করার তাগিদ দেন। এসময় সদস্যরা জানান, এখন একটি গুর কিনতে গেলেও ২০/২৫ হাজার টাকা লাগে, ছোটখাটো কোন ব্যবসা কিংবা ফসল আবাদেও ১৫/২০ হাজার টাকার প্রয়োজন হয়। এজন্য বিভাগীয় কমিশনারের নিকট ঋণের বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃক্ষের নিকট বিষয়টি তুলে ধরার অনুরোধ জানান। পরে বিভাগীয় কমিশনার এবং অতিথিরা সদস্যদের কয়েকটি বড়ই এবং সব্জীর আবাদ, গরু এবং ছাগল পালন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের শেরপুরের সমন্বয়কারী ফিরোজ আলী জানান, লছমনপুর ইউনিয়নের কান্দা শেরীরচর নয়াপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতির ৬০ জন সদস্যের মধ্যে ৪০ জন নারী ও ২০ জন পুরুষ। ২০১৩ সালে শুরু হওয়া এ সমিতির বর্তমানে মোট তহবিল ৮ লাখ ৪২ হাজার ৪৯২ টাকা। তন্মধ্যে সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ৩ লাখ ১ হাজার ৭০০ টাকা , সরকার থেকে উৎসাহ কল্যাণ তহবিল প্রাপ্তি ২ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা এবং ঘূর্ণায়মান তহবিল প্রাপ্তি ২ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ টাকা। সমিতির ৫২ জন সদস্যের মাঝে গরু পালন, মৎস্য চাষ, হাঁস-মুরগী, ছাগল পালন, কৃষি, সব্জী বাগান, মুদি দোকান ব্যবসা খাতে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ বিতরন করা হয়েছে। ঋণ আদায়ের পরিমাণ শতভাগ। প্রতি মাসেই উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে সদস্যরা নিজেদের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করে থাকেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!