ads

মঙ্গলবার , ১২ জানুয়ারি ২০১৬ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রণক্ষেত্র : বুধবার হরতাল

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ১২, ২০১৬ ২:৫৫ অপরাহ্ণ

b_baria_ _1418ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ী-পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মাদ্রাসাছাত্র মাসুদুর রহমান মারা গেছেন। সোমবার দিনগত রাত ২টায় ওই ছাত্রের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। নিহত মাসুদুর রহমান পৌর এলাকার ভাদুঘর গ্রামের ইলিয়াস আহম্মেদের ছেলে। সে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার ৮ম শ্রণির ছাত্র। তার লাশ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা আছে। এদিকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার ভোর থেকেই উত্তাল হয়ে উঠে পুরো শহর। ভাঙচুর চলছে শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুর ও পয়েন্টস পুড়ে ফেলার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে সিলেট ও চট্টগ্রামের রেল যোগযোগ বন্ধ রয়েছে। হামলা হয়েছে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতেও। এছাড়া ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে মাদ্রাসাছাত্ররা ও জামিয়া ইউনুছিয়া কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে সকাল থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অঘোষিত হরতাল-অবরোধ চলছে। বিভিন্নস্থানে মিছিল ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রধান এলাকা অচল করে রেখেছে মাদ্রাছাত্ররা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো শহরে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার রাতে জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসা ছাত্রদের সঙ্গে ব্যবসায়ী ও পুলিশের সংঘর্ষের পর রাত পৌনে ২টায় হাফেজ মাসুদুর রহমান (২০) নামের ওই মাদ্রাসা ছাত্রকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে তার সহকর্মীরা। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক মাইনুল হক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান, নিহত ছাত্রের শরীরে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও তার পেটে-পিঠে চাপ খাওয়া দাগ রয়েছে। মাদ্রাসা ছাত্ররা জানায়, সংঘর্ষের সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় সে আহত হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোরে মাসুদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরার পর পরই মাদ্রাসার শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। শত শত মাদ্রাসা শিক্ষক-ছাত্র হাতে লাঠি নিয়ে শহরের টিএ রোড, কুমারশীলের মোড়, লোকনাথ ট্যাঙ্কের পাড়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা সড়কের উপর কয়েকটি তোরণ ভাঙচুর করে। মুহূর্তে মধ্যে পুরো শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় শহরে যান চলাচল।
এ ঘটনার পর সকাল থেকে শহরে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। সকাল ১০টার পর মাদ্রাসাছাত্ররা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স, ব্যাংক এশিয়া, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে স্টেজ, প্যান্ডেল, শহরের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামীলীগ নেতাদের পোস্টার, ফেস্টুন ভাঙচুর করেছে।
রেলস্টেশনে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়, ফ্লেসপ্লেইট ভেঙে ফেলায় ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেট-চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আখাউড়া রেলস্টেশনে আটকা পড়েছে কয়েকটি ট্রেন।
পুলিশ বিজিবি মোতায়েন থাকার পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন, শিল্পকলা একাডেমী, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ভাঙচুর করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ঢাকার সাথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আগামীকাল সকাল সন্ধ্যা হরতাল আহবান করে শহরে মাইকিং চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার এএসপি তাপস রঞ্জন ঘোষ জানান, শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!