মোঃ-আমিনুর ইসলাম (গাবতলী) বগুড়া : বগুড়ার গাবতলী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারী হাসপাতালে ৩০ ডাক্তারের মধ্য ১৬ টি পদশূন্য রয়েছে। ফলে সাধারন মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দারুনভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অপারেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি থাকলেও প্রয়োজনিয় সার্জন না থাকায় সে গুলো এখন বাক্সবন্দি রয়েছে। হাসপাতাল সুত্রে জানাযায়, যে সকল পদ শুন্য রয়েছে তাদের মধ্য, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার,জুনিয়ন কনসালটেন্ট সার্জারী, গাইনি, শিশু, চক্ষু, অর্থোঃ, কার্ডিঃ, এনেঃ, মেডিক্যলি অফিসার ২ জন, প্যাথ প্যাথলজিষ্ট, এ্যানেস্থেসিষ্ট, মেডিক্যাল অফিসার ইউনানী, আয়ুর্বেদিক, হোমিও প্যাথিক, নশিপুর, কলাকোপা, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রে ১ জনসহ ১৬ জনের পদ। গাবতলী হাসপাতালে ২ জনসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৪ ডাক্তার কর্মরত রয়েছে। অপরেশনের যন্ত্রপাতি বাক্র বন্দি থাকলেও ডাক্তারের অভাবে ছোট-বড় কোন অপরেশন হয় না। ছলে রোগিদেরকে বগুড়া সদরে মোহম্মদ আলী হাসপাতাল ও শহিদ জিয়া মেডিক্যালে যেতে হয়। সেখানে অবস্থার বেগতিক বা ডাক্তার না থাকায় শহরে গজে ওঠা বেঙ্গের ছাতার মতো ক্লিনিকে আশ্রয় নিতে হয় রোগিদেরকে। হাসপাতালে পানি সরবরাহ যথাযথ না থাকায় রোগীর স্বজনদের বাহির থেকে অতিকষ্ঠে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়। এয়াড়াও তেল সরবরাহ না থাকায় পরিত্যাক্ত জেনারেটর দিয়ে জরাজীর্ন এ্যাম্বুলেন্স চালানো হচ্ছে ফলে বিদ্যুৎ চলেগেলে রোগীদেরকে অন্ধকারে থাকতে হয়। ১২০ টাকা প্রতিদিন ১ জন রোগীর খাবার বরাদ্দ থাকলে রোগীদেরকে প্রতিদিন পচাঁ কলা, মাছ, ডিম, বাসি পাউরুটি, নিন্মমানের চালের ভাত, মিষ্টি লাউ আর সিলভার কাপ মাছ ছাড়া রোগীদের ভাগ্যে ভালো ভাবার জোটেনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা নিন্মমানের এ খাবার অনেক রোগীই গ্রহন করে না। রাজনৈতিক নেতার নামে হাসপাতালের খাবার ঠিকাদারী থাকায় কেউ কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। ৫০ শর্য্যার গাবতলী হাসপাতাল এখন নিজেই রোগী। এব্যপারে হাসপাতালের টি এইচএ’র সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত বিষয় গুলোর স্বীকার করে বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার লিখেও কোন প্রতিকার হয়নি। তবে ওষুধ সরবরাহ ভালো আছে। রোগীরা নিয়মিত আসপাতালে আসছে এবং ওষুধ পাচ্ছে বলে দাবী করেন।




