মোঃ সাইফুল ইসলাম রাব্বি, রাজাপুর (ঝালকাঠি) : ঝালকাঠির রাজাপুরের শীতল পাটির কদর দেশ ছাড়িয়ে এখন দেশের বাইরেও সমাদৃত হচ্ছে। কিন্তু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় পাটিকররা নানা অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত। উপজেলার হাইলাকাঠি ও সাংগর গ্রামের দেড় শতধিক পরিবারের প্রায় চার শতাধিক মানুষের পেশা পাটি তৈরি করে বিক্রি করা। এ দুটি গ্রাম দক্ষিননাঞ্চালের শীতল পাটি গ্রাম হিসাবে ও পরিচিত এবং এ পাটি পেশার সাথে যারা জরিত তাদেরকে স্থানীয় ভাষায় পাটিকর বলে। এখানকার মানুষের প্রধান পেশা।অন্যদিকে গরম এলেই এখানকার পাটিকরদের ব্যাস্ত সময় কাটে শীতল পাটি তৈরি করতে। এই সময়টিতে তারা বছরের অনান্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি ব্যস্ত থাকেন। এখানকার তৈরি শীতল পাটি ছয়শ টাকা থেকে দুই হাজার টাকার ও বেশি দামে বিক্রি হয়। একটি পাটি তৈরি করতে একজন পাটিকরের সময় লাগে তিন দিন উত্পাদান খরচ বাদ দিয়ে একটি পাটিতে চারশ থেকে আটশ টাকা বিক্রি হয়ে থাকে। তবে ইতোমধ্যো অনেকই তাদেল পুরান পেশা ছেড়ে অন্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। কারন দিন দিন এ পাটির চাহিদা কমে যাচ্ছে। ফলে বেকার হয় পড়ছে এখানকার পাটিকররা। জীবন বাঁচাতে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। আর এই পাটির চাহিদা কমার পেছনে তারা বর্তমান যুগের প্লাস্টিক শিল্পকে দায়ী করছে। তাদের মতে প্লাস্টিকের তৈরি একটি শীতল পাটি এবং এখান তৈরি শীতল পাটি এবং এখান তৈরি শীতল পাটির দাম বাজারে প্রায় এক। তাই দিন দিন এই

পাটির চাহিদা কমে যাচ্ছে। পাটিকররা আফসোস করে বলেন, আমাদের এই শিল্প নিয়ে সরকারের কোন ভাবনা নেই।
ঝালকাঠির বিসিক উপ-ব্যবস্থাপক মোঃ আশ্রাফুজ্জামান বলেন, এখানকার পাটিকরদের সাথে আমরা কথা বলেছি। তারা যদি আমাদের কাছে আসেন তাহলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকে বাচিয়ে রাখতে বিসিক থেকে ঋণ ও পরামর্শ সহায়তা দেওয়া হবে।




