ads

শুক্রবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কেশবপুরে আ’লীগের অর্ন্তদ্বন্দ্বের জের ধরে বন্ধ হয়ে গেছে দুটি খালের পুনঃখনন কাজ : ১৬ হাজার বিঘা জমির বোরো আবাদ অনিশ্চিত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২৫, ২০১৪ ১:৫৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে আ’লীগের অর্ন্তদ্বন্দ্বের জের ধরে বন্ধ হয়ে গেছে দুটি খালের পুনঃখনন কাজ : ১৬ হাজার বিঘা জমির বোরো আবাদ অনিশ্চিত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে আওয়ামীলীগের অর্ন্তদ্বন্দ্বের কারনে পদ্মবিল ব্রিজ হতে কাউখোলা ব্রিজ পর্যন্ত প্রকল্পের পুনর্খনন কাজ স্থগিত হওয়ায় ওই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৩২ লাখ টাকা ফেরৎ যাওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। ফলে এলাকার ১৭/১৮ টি বিলের ১৫/১৬ হাজার বিঘা জমি পতিত থাকার আশংকা দেখা দিয়েছে।

Shamol Bangla Ads

জানাগেছে,কপোতাক্ষ নদের উপচে পড়া পানি কাউখোলার ব্রিজ হয়ে দোরমুটিয়ার খাল দিয়ে বুড়িভদ্রা নদীতে নিস্কাশিত হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পদ্মবিল হতে কাউখোলা খাল ও বিল পানিডহুরার খাল খনন না হওয়ায় ভরাট হয়ে মরে গেছে। ফলে এলাকার সাতবাড়িয়া, কড়িয়খালি, চাঁদড়া, হাজরাকাটি, বেগমপুর, ত্রিপুরাপুর, কোমরপোল, জাহানপুরসহ ১৫/১৬ গ্রাম সংলগ্ন বাওড় মুর্শ্মিনা, জাহানপুর বিল, টিয়ার বিল, চাঁদড়ার বিল ও পদ্মবিলসহ ১৭/১৮ টি বিলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারনে ১৫/১৬ বছর ধরে হাজার হাজার বিঘা জমি অনাবাদি থাকে। বিলসংলগ্ন এলাকার কৃষকরা খাল দু’টি পুনর্খননের জন্য গত ২ বছর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেন। বিষয়টি গুরুত্বপুর্ণ জেনে সাবেক এমপি শেখ আব্দুল ওহাব এর সুপারিশের কারনে প্রকল্পটি উপজেলা কমিটিতে অনুমোদিত হয়। সেই মোতাবেক খাল দু’টি পুনর্খননের জন্য ভবদহ মৎস্য চাষ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কাজটি বাস্তবায়নের জন্য ৪ টি এলসিএস গঠন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ৩নং এলসিএস এর দলনেতা আব্দুল জলিল, ২ নম্বর এলসিএস এর দলনেতা আনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলে আওয়ামীলীগের দু’গ্র“পের অন্তঃদ্ব›দ্ব প্রকাশ্য রুপ নেয়। এদ্বন্দ নিরসনে গত ৩১ মার্চ আব্দুল জলিলকে দলনেতা ও ইউপি সদস্যা আনোয়ারা বেগমকে সহ-দলনেতা করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি এলসিএস কমিটি গঠন করা হয় এবং এলসিএস কমিটির কার্যক্রম পর্যালোচনা করার জন্য ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি করা হয়। কিন্তু এর পরও দ্ব›দ্ব নিরসন না হওয়ায় কেশবপুরের সংসদ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক গত ১১ এপ্রিল এ প্রকল্পের উদ্বোধন স্থগিত করেন। ফলে আওয়ামীলীগের দু’গ্র“পের কোন্দলের কারনে ওই এলাকার জনগের দীর্ঘদিনের প্রানের দাবি অপুর্ণ থেকে যায়।
এব্যাপারে এলসিএস সহ-দলনেতা আনোয়ারা বেগম বলেন দলের মধ্যে যে বিরোধ ছিল তা নিরসন হয়েছে। তবে এলসিএস কমিটির মধ্যে জামায়াত বিএনপির লোক থাকায় এ প্রকল্পের কাজ বন্ধ হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর অঅলম বলেন, ওই প্রকল্পটি স্থগিত হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে এবং নতুন ভাবে প্রকল্প করে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!