ads

সোমবার , ২১ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নীলফামারী জেলার নদ-নদী ও পুকুরে পানি নেই : বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২১, ২০১৪ ৩:৩৩ অপরাহ্ণ

River-2এম, এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলার নদ- নদী ও পুকুর-ডোবায় পানি শুকিয়ে যাওয়ায় অথবা কম থাকায় জেলায় মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বাজারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম মাছ উঠছে। এ কারণে মাছের আকাশ ছোঁয়া দামের জন্য সাধারণ মানুষ এখন আর মাছের স্বাদ নিতে পারছে না। পুকুর- জলাশয়ে চাষ করা পাঙ্গাশ মাছ সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা কিছুটা পূরণ করেছে। কিন্ত বর্তমানে পাঙ্গাশের দামও ধরাছোঁয়ার বাইরে। হাটবাজারে সামান্য পরিমানে বিক্রি হচ্ছে নদ- নদীর নিষিদ্ধ নানা প্রজাতির ডিমওয়ালা মাছ। ক্রমান্বয়ে বিলুপ্তি ঘটছে নদ- নদীর মিঠা পানির রুই, কাতলা, মৃগেল, বোয়াল, চিতল, শোল, চেলা, নন্দই, চাপিলা, টেংরা, টাকি, গোলসা, কালী বাউস, খোলসা, মোয়া, পাতাশি, পাবদা, শিং, মাগুর, কৈ, পাবদা ও ফলি প্রভৃতি। এদিকে জেলার নদ- নদী পানি শুন্যতায় মৎস্য শুন্য হয়ে পড়ার হাজার হাজার মংস্যজীবী বেকার হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে কেউ এরই মধ্যে পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে গেছে। নীলফামারী জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, চড়াল কাটা,ধাইজান, নাউতারা, দেওনাই, চিকলী, খড়খড়িয়া, কমলদা, ধামরাই, মরা ধামরাই,ঘাটামারী প্রভৃতি নদ- নদী পানি শুন্যতা ও সামান্য পানিতে মাছের প্রজনন হচ্ছে না। জেলায় মাছের চাষ শুধু এখন পুকুরভিত্তিক হচ্ছে। সেখানেও রয়েছে পানি সমস্যা। শ্যালো মেশিন দিয়ে কোনোমতে মাছ ব্যবসায়ীরা মাছগুলো বাঁচিয়ে রেখেছে। বাজারে বর্তমানে পুকুরের পাঙ্গাশ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, রুই, কাতলা, মৃগেল ২৪০ থেকে ৩২০ টাকা, ছোট মাছ গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। জেলার মাছের চাহিদা পূরণ ও বংশবৃদ্ধির জন্য নীলফামারীর সৈয়দপুরের কামারপুকুরে স্বাদুপানি মৎস্য চাষ প্রকল্প গড়ে উঠেছে। সেখানে চাষীদের প্রয়োজনীয় ট্রেনিং ও মিঠাপানির মাছ রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এই প্রকল্পটি পুরোপুরি কাজ শুরু করলে জেলাবাসীর আমিষের চাহিদা পূরণ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

সৈয়দপুরে তীব্র তাপদাহে সামাজিক বনায়নের গাছ মরে যাচ্ছে

Shamol Bangla Ads

Samazik Banaonগ্রীষ্মের শুরুতে উত্তরের জনপদ নীলফামারীর সৈয়দপুরে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এতে সামাজিক বনায়নের প্রায় ৬ হাজার গাছ মরে গেছে। গাছগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় এ অবস্থা হয়েছে বলে জানান উপকারভোগী বন মালিকরা। তবে স্থানীয় সংশ্লিষ্টরা এ দায় নিতে নারাজ। তাদের দাবি অর্থ ও জনবল সংকট নিয়ে ও সামর্থ অনুযায়ী চেষ্টা করছি বাকিগুলো যাতে রক্ষা পায়। আর পর্যাপ্ত যতেœর অভাবে তাপদাহে গাছ মরে যাওয়া উত্তরাঞ্চলে মরুকরণের আশংকা করছেন পরিবেশবিদরা। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ১০ দিন ধরে এ জনপদে তাপমাত্রা শুধু বাড়ছে। আগামি ২০ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাত না হয় এর মাত্রা আরও বাড়বে। এই তাপমাত্রা বাড়ার কারণে এ জনপদের খেটে খাওয়া বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নি¤œ অয়ের মানুষজন চরম কষ্টে পড়েছে।
প্রচন্ড গরম ও তাপদাহে সৈয়দপুর উপজেলার সামাজিক বনায়নের ৩ বছর আগে লাগানো চারাগুলোর উপর প্রভাব পড়েছে। সরেজমিনে উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, আইসঢাল পথিরাম পাড়া থেকে দলুয়া ৩ কি. মি. কাঁচা সড়কের দুই পার্শ্বের আকাশমনি, ইউকিলিপটাস, সালটি, জামরুল, মেহগনি, বকাইন ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার গাছগুলো মরে গেছে। গাছের পাতাগুলো লালচে বর্ণের হয়ে মারা গেছে। অনেক গাছের পাতা নেই। শুকিয়ে কাঠ খড়িতে পরিণত হয়েছে। একই চিত্র দেখা যায় ওই ইউনিয়নের ইউপি কার্যালয় থেকে মোবারক মেম্বরের বাড়ি পর্যন্ত সড়কে। আবার মাছুয়াপাড়া থেকে নিজবাড়ি কাচারীপাড়া সড়কের গাছগুলোর একই অবস্থা।
সৈয়দপুর বন অফিস জানায়, ২০১০-১১ অর্থবছরে এসকল এলাকার কাঁচা ওই সড়কগুলিতে ৯ কি. মি সড়কে ৯ হাজার বিভিন্ন বনজ চারা লাগানো হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে উপকারভোগীদের তত্ত¡াবধানে দেয়া হয়। যতœ ও পাহারায় ৯ কি. মিটারে ৭ জনকে প্রতিমাসে ৭ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর প্রতিবছর এসকল গাছের চারা মারা গেলে সেখানে পরিবর্তিত চারা রোপন করা হয়। তবে পর্যাপ্ত যতেœর অভাবে এসক গাছের মধ্যে ৬ হাজার গাছ মরে গেছে।
উপকারভোগী বন মালিক সমিতির সদস্যরা জানায়, সংশ্লিষ্টরা এ সকল গাছের রোপন, বাঁশ, সুতলি বাবদ গাছ প্রতি ৩ টাকা দিয়েছিল। পরে গাছগুলো বাড়তে থাকায় নিরাপত্তার ৯ কিলোমিটারে ৯ জন পাহারাদার দেওয়ার কথা থাকলেও ৭ জনকে দিযেছে। আর তাদের বেতন বাবদ ১ হাজার টাকা প্রদান করে কর্তৃপক্ষ। এতে ওই টাকায় তাদের সংকুলান না হওয়ায় তারা তেমন গুরুত্ব দেয় না, আর তাপদাহে সেচ দেয়ার ব্যবস্থা না থাকায় গাছগুলো মরে গেছে। এ নিয়ে ওই কমিটির সভাপতি আশরাফ আলী জানান, গাছকে বাঁচাতে যখন যা প্রয়োজন সংশ্লিষ্টরা তা না দেযায় গাছগুলো মরে গেছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের করার কিছুই নেই।
সৈয়দপুর বন বিভাগ অফিসের রেঞ্জ কর্মকর্তা আঃ মজিদ জানান, মৃত ও মৃতপ্রায় গাছগুলো পুণরুদ্ধারে উপকারভোগীদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় উপকরণ দেয়া না হলেও সামর্থের মধ্যেই যেন বাকি গাছগুলোকে বাঁচানো যায় সেদিকে নজর দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে পরিবেশবিদরা রোপিত গাছের যতেœর অভাবে মৃতকে সংশ্লিষ্টদের অবহেলাকে দায়ী করেছেন। এছাড়া ওই মাত্রাতিরিক্ত ইটভাটাও অনেকটা দায়ী বলে জানিয়েছেন তারা। আর এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে গাছের অভাবে জীববৈচিত্রর বিপর্যয় নেমে আসবে আর এই জনপদ মরুভ’মিতে পরিণত হবে। তাই এখনই গাছ বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

সেন্ট পলকিন্ডার গার্টেন স্কুল সৈয়দপুর উপজেলায় শীর্ষে

সেন্ট পল কিন্ডার গার্টেন স্কুল থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। নর্থবেঙ্গল কিন্ডার গার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল সোসাইটি বৃত্তি পরীক্ষায় এই স্কুলটি থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। ২০১৩ সালে বৃত্তি পরীক্ষায় ৩টি শ্রেণির বৃত্তি প্রাপ্তির দিক থেকে এ প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান সৈয়দপুর উপজেলায় শীর্ষে। সেন্ট পল কিন্ডার গার্টেন স্কুলটি ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শহরের নতুন বাবুপাড়া এলাকায় অবস্থিত স্কুলটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (এনজিও) লাইফ বাংলাদেশ এর সার্বিক তত্তাবধানে পরিচালিত হয়ে আসছে। এ স্কুলটি থেকে বিগত ২০১৩ সালের নর্থবেঙ্গল কিন্ডার গার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল সোসাইটি বৃত্তি পরীক্ষায় ৩ শ্রেণির মোট ৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!