সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : গতকাল রবিবার সকালে তালা উপজেলার ইসলামকাটী ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে পাবলিক প্লেস ও পরিবহন প্রতিনিধিদের মসন্বয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বে-সরকারী সংস্থা যুগের যাত্রী সংস্থার আয়োজনে এবং এইড ঝিনাইদহের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিজ ফাউন্ডেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল্লাহেল হাদী। যুগের যাত্রী সংস্থার আওছাবুর রহসানের পরিচালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিরা মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ড. রবিউল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগের যাত্রী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এইড ঝিনাইদহের প্রোগ্রাম অফিসার আম্বিয়া বেগম এবং ইউপি সদস্য এজাহার আলী। এসময় অমল দাস, সন্ধ্যা রানী, আছাদ মৃধা,অঞ্জন দে এবং সাংবাদিক আক্তারুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালায় ভূমিজ ফাউন্ডেশনের জিআরসি সভা

গতকাল রবিবার সকালে তালা উপজেলার ইসলামকাটী ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বে-সরকারী সংগঠন ভূমিজ ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে নেট টু রাইটস এর সহায়তায় পারিবারিক সহিংসতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তৃণমুলে পরিবর্তনকারী দলের (জিআরসি) ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি সদস্য মোঃএজাহার আলীর সভাপতিত্বে সভায় ইউপি সদস্য নিরাপদ, আনোয়ারা বেগম ,আলম শেখ আতিকা বেগম, অন্ত্যজ নেত্রী সুিমত্রা দাস এবং ভূমিজ ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার আব্দুল্লাহেল হাদী বক্তব্য রাখেন। সভায় সহায়ক ও সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ভুমিজ ফাউন্ডেশনের দে অঞ্জন কুমার।
সাতক্ষীরার তালা মহিলা কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
গতকাল রবিবার সকালে তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজে এক সংবাদ স¤েœলন অনুষ্ঠিত হয়। স¤েœলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নারী শিক্ষার অগ্রগতির লক্ষে তালাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তালা মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ২০ বছর যাবত অত্যান্ত সুনামের সাথে শিক্ষা বিস্তারে নিরালস ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বিগত ২০১৩ সাল হতে যশোরশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনাক্রমে তালা মহিলা কলেজে এইচ.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্র চালু হয়েছে। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করছে। চলতি বছরের গত ১০ এপ্রিল ইংরেজি ২য়পত্র পরীক্ষা চলাকালীন তালা সরকারী কলেজের ছাত্র ইমরান হোসেন (রোলনং-৪৭০৭৬০) সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে এবং পূর্ব থেকেই অসাদুপায় অবলম্বন তথা ডিজিটাল ক্যামেরার মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর লিখতে থাকে। যা কক্ষপরিদর্শকদের দৃষ্টি গোচর হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধের কারণে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশনায় ঐ পরীক্ষার্থীকে বিধি মোতাবেক বহিস্কার করা হয়। বহিস্কারের সময় তার নিকট একটি মোবাইল সেটও পাওয়া যায়। ক্যামেরা ও মোবাইল সেটটি জব্দ করে হেফাজতে রাখা হয়। এই সত্য ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে ঘটনার পরদিন ‘‘তালা মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীকে মারপিট করে বহিস্কার, ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষকে প্রত্যাহার দাবী’’ শিরোনামে কয়েকটি পত্রিকায় মিথ্যা কল্পকাহিনী করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা আদৌ সত্য নয়। অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান আরও বলেন, ইমরান হোসেন নামের ঐ পরীক্ষার্থীকে মারপিট ও আহত করার কোন প্রশ্নই ওঠে না। তিনি এ ঘটনারতীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
উল্লেখ্য যে, উক্ত পরীক্ষার দিনে জেলা প্রশাসক কর্তৃক নিয়োগকৃত বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তার প্রতিনিধি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকশিক্ষা বোর্ড, যশোর-এর ভিজিলেন্স টিমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অথচ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গতিশীলতা ও ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করা হয়েছে। এসময় তিনি আলোচ্য ঘটনাটি পত্রিকায় তুলে ধরে প্রকৃত ও সত্য বিষয়টি জনসাধারণকে বিশেষভাবে অবহিত করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান।




