চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের ৪১ টি পদ দীর্ঘ দিন যাবত শূন্য রয়েছে। শূন্য পদ গুলোর মধ্যে ১৪টি প্রধান শিক্ষক এবং ২৭টি সহকারী শিক্ষকের পদ। পদগুলো দীর্ঘদিন যাবত শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট ১৪৭টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে পুরাতন ৯০টি, পূর্বেও রেজিষ্ট্রিকৃত (বর্তমান সরকারী) ৫৬টি ও একটি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪১টি পদ শূণ্য থাকায় শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মতিউল আহসান জানান, কেন্দ্রীয় ভাবে মামলা চলায় পদোন্নতি না হওয়ায় পদগুলো শূণ্য রয়েছে।
চাটমোহরে মারপিটের ঘটনায় দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের বিদ্যাপিঠ আরসিএন এন্ড বিএসএন পাইলট (মডেল) উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার দুই শিক্ষকের মধ্যে দফায় দফায় মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জানা যায়, গত সোমবার শিক্ষক মাহাতাব হোসেন ও মজনুর রহমানের মধ্যে প্র্যাকটিকেল পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। দুপুরে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীর কক্ষে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে।
এঘটনায় বৈঠক হবার কথা থাকলেও তা হয়নি। এরই জের ধরে গত মঙ্গলবার সকালে নতুন বাজারে মাহতাব হোসেন দলবল নিয়ে মজনুর রহমানকে মারপিট করে আহত করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকরা জরুরী সভা করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন হয়। সভায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আব্দুল জব্বার জানান, ন্যাক্কারজনক এ ঘটনায় স্কুলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে নষ্ট হয়েছে। অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে দোষী প্রমানিত শিক্ষককে স্থায়ী ভাবে বরখাস্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।




