ads

শুক্রবার , ১৮ জুন ২০২১ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে পৌঁছেছে চীনের সিনোফার্ম ভ্যাক্সিনের ১২ হাজার ডোজ

জুবাইদুল ইসলাম - ফটো কার্ড
জুন ১৮, ২০২১ ১১:০৪ অপরাহ্ণ

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য শেরপুরে চীনের তৈরি ১২ হাজার ডোজ ‘সিনোফার্ম ভ্যাকসিন’ এসে পৌঁছেছে। ১৮ জুন শুক্রবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জেলা ভ্যাক্সিন কমিটির সদস্যরা ‘সিনোফার্ম ভ্যাকসিন’-এর ওই টিকার চালান গ্রহণ করেন। একটি বিশেষ ফ্রিজার ভ্যানে করে শেরপুরে আসা ওই ১২ হাজার টিকা ২০টি ভায়েলের প্রতিটিতে ৬০০ করে ডোজ রয়েছে। ওইসব টিকায় ৬ হাজার জনকে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

Shamol Bangla Ads

ভ্যাকসিন গ্রহণের সময় সিভিল সার্জন ডা. একেএম, আনওয়ারুর রউফ, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান মাহমুদ, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি বিশেষ শাখার পরিদর্শক (ডিআইও-১) মো. আবুল বাশার মিয়া, জেলা ড্রাগ তত্ত্বাবধায়ক সাখাওয়াত হোসেন রাজু আকন্দ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আকরাম হোসেন, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার, কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান ও সহকারি স্টোরকিপার উপস্থিত ছিলেন।
সিভিল সার্জন ডা. একেএম, আনওয়ারুর রউফ জানান, আগামীকাল ১৯ জুন শনিবার থেকেই চীনের তৈরি ‘সাইনোফার্ম ভ্যাকসিন’ প্রদান করা হবে। কেবলমাত্র শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের কোভিড-১৯ টিকা দান কেন্দ্র থেকে ওই টিকা দেয়া হবে। প্রথম ডোজ দেয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হবে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড এস্ট্রজেনিকার কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন শেরপুর জেলায় পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৯১ জন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬০ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ২১ হাজার ৭৩১ জন। ভ্যাক্সিন সংকটের কারণে গত ৫ মে থেকে জেলায় করোনা টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
জেলা সদর হাসপাতালে টিকা গ্রহণের জন্য ২০ হাজার মানুষ রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। এর মধ্যে ৫ হাজার মানুষ প্রথম ডোজের টিকাই নিতে পারেননি। এছাড়া ১২ হাজার মানুষ প্রথম ডোজের টিকা নিলেও তারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাননি। এখন অন্য কোম্পানির টিকা নিতে গেলে তাদের নতুন করে অন্য কোম্পানির প্রথম ডোজের টিকা নিয়ে পরে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তবে এবারের টিকা তাদের দেয়া হবে না বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
এদিকে জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩ জনের। তাদের মধ্যে শেরপুর সদরে ৫৯৪ জন, নকলায় ১৫৩, নালিতাবাড়ীতে ১২২, ঝিনাইগাতীতে ৫৮ ও শ্রীবরদী উপজেলায় ৭৬ জন আছেন। এ সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭৫৭ জন। মারা গেছেন ১৯ জন। বর্তমানে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন ২২৮ জন। এর মধ্যে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২ জন। বাকিরা বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। চলতি মাসে জেলায় সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। ১৮ জুন পর্যন্ত জেলায় ২৪৬ জন রোগীর করোনা শনাক্ত হয়। তাদের সিংহভাগই শেরপুর পৌর এলাকার।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads