ads

বুধবার , ২ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ক্রিকেট জুয়া নিয়ে ব্যস্ত বাজিকররা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২, ২০১৪ ৪:১৯ অপরাহ্ণ

dfআনোয়ার হোসেন, ঠাকুরগাও : ঠাকুরগাওয়ের সবকটি উপজেলার পাড়া মহল্লা, খেলার মাঠে, হাট বাজারে এমনকি গ্রামগঞ্জের প্রতিটি অলিগলিতে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলা নিয়ে বাজির নামে চলছে জুয়ার জমজমাট আসর। সা¤প্রতিক সময়ে ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম আলোচিত বিষয় ক্রিকেট বা ফুটবল ম্যাচ ঘিরে চলছে স্পট ফিক্সিং। আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া খেলা নিয়ে বাজিকরদের চলে দর কষাকষি। দুর্বল টিমের সঙ্গে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের খেলা থাকলে সে ক্ষেত্রে দেয়া হয় লোভনীয় অফার।
শুধু বিশ্বকাপ নয় আইপিএল, ঘরোয়া লীগ, এমনকি দেশ বিদেশের টেষ্ট খেলাগুলোকে ঘিরেও চলে বাজিকরদের রমরমা বাজি। এছাড়াও দেশ বিদেশের প্রতিটি ফুটবল খেলায় জুয়াড়ীদের চলে বড় বড় বাজি।
বিশ্লেষকদের মতে, আমাদের দেশে ক্রীড়াবাজির আবির্ভাব ঘটেছে পার্শ্ববর্তী দু’দেশ ভারত ও পাকিস্থান থেকে। যা গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে ছেয়ে গেছে।
চলমান টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে চলছে ধুম-ধামাক্কা জুয়ার আসর। টেলিভিশনের সামনে বসে খেলা দেখা দর্শকদের মাঝে চলে দর কষাকষি। ১৫-২৮ বছর বয়সীরাই ক্রীকেট জুয়ায় মেতে উঠছে বেশী। বেশী বয়সীরা ঘরোয়া বাজির মাফিয়া ডন বলে জানা যায়।
জুয়াড়ীদের এই নতুন ধান্ধায় মেতে উঠেছে জেলার অভিজাত এলাকাগুলো। ধনীর দুলালরা বাজি ধরেন মোবাইলের মাধ্যমে। তাদের বাজি ধরার ধরন ও ভিন্ন এবং বিগ বাজেট। মোবাইল ফোনের বেড় বাজির ধরার কথাগুলো রেকর্ড করে রাখে। মাসের কোন এক তারিখে টাকা লেনদেন করা হয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রীকেট বাজিকর জানায়।
বিভিন্ন মোড়ের দোকানগুলোতে প্রকাশ্যে চলে এই ক্রিকেট বাজি। দলগত হার-জিত নির্ধারণ বাজির পাশাপাশি চলে ওভার বা বল বাই বল বাজি।
আজকাল একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, যখন কোন খেলা চলে বিশেষ করে টি-টুয়েন্টি ম্যাচ হলে জটলা বেধে যায় মোড়ের দোকান গুলোতে।
এম্যাচের পাওয়ার প্লেতে কত রান হবে! ৫-১০ ওভারে কত রান হবে! খেলায় কে কতটি উইকেট পাবে! কে কত রাণ করবে ইত্যাদি ইত্যাদি বাজিতে মেতে উঠে ক্রীকেট জুয়াড়ীরা।
এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মোনায়েম হোসেন জানান, বিষয়টি এর আগে শুনিনি। তবে এব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
সমাজের সকল অপকর্ম থেকে রেহাই পেতে অভিভাবকদের দৃঢ় সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক প্রশাসনিক গোয়েন্দা তৎপরতা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে বলে সুধিমহল’র অভিমত।

Need Ads
error: কপি হবে না!