সাইফুল ইসলাম , বাবুগঞ্জ(বরিশাল) : বাবুগঞ্জে কথিত সাংবাদিক পরিচয় দানকারী মনিরের ব্যবহৃত বিলাশ বহুল ২টি গাড়ি আটকের সপ্তাহ পেরুলেও মনিরের কোন সন্ধান পায়নী বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকা বাসীর মনে একটাই প্রশ্নই দেখা দিয়েছে, তবে কি মনির আসলে সাংবাদিক পরিচয়দান করে বিভিন্ন অপরাধ অপকর্ম করে বেড়ায় ! তা না হলে কোন অভিযোগ না থাকা সত্যেও ,একজন সাংবাদিক কি বাড়িতে পুলিশের উপস্তিতি টের পেয়ে গাঁ ঢাকা দিতে পারে ? এমনটাই প্রশ্ন এলাকার সাধারন মানুষের।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জের বহুল আলোচিত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম সহ ৭ ব্যক্তিকে অপহরন পরবর্তী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা ব্যক্তিরা বরিশাল বাবুগঞ্জের কথিত সাংবাদিক মনিরের বাড়ীতে অবস্থান করছে, পুলিশের উর্ধতন কতৃপক্ষের এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাবুগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ-আলম গত ৪ এপ্রিল বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহের গতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া গ্রামের নাজির আহম্মেদ আকন্দ’র ছেলে মোঃ মনির আকন্দ’র বাড়িতে
তলাশী চালায়। এ সময় মনির ও তার অন্যতম সহযোগী নারায়নগঞ্জ এলাকার কথিত সাংবাদিক মোঃ শরীফ এবং তাদের ব্যবহৃত ২ টি প্রাইভেটকারের চালকসহ সকলেই ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল। এসম তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এর পর বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ ওই কথিত সাংবাদিক মনির আকন্দর মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করলে তিনি পুলিশকে আসছি আসব বলে ঘুরাতে থাকে। এভাবে থানা পুলিশ সাড়ারাত অপেক্ষা করে সকালে তার ব্যবহৃত ২টি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকার ও ১ টি মটর সাইকেল জদ্ধ করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকেই কথিত সাংবাদিক মনির আকন্দ ও তার সহযোগীর কোন সন্ধান পায়নি পুলিশ। এ ব্যাপারে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ওই কথিত সংাবাদিকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাদের পায়নি থানা পুলিশ। গত এক সপ্তাহ ধরে গাড়ী ৩টি বাবুগঞ্জ থানায় আটক থাকলেও গাড়ীর কোন মালিকানা দাবী কিংবা গাড়ীর কাগজ পত্র নিয়েও আসেনি কেউ। উল্টো বাবুগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শাহআলম ও সেকেন্ড অফিসার এস আই মোঃ শামিম আহম্মেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে ওই মহলটি।স্থানীয়রা ও পুলিশ সূত্র জানায় কথিত সাংবাদিক মনির আকন্দ তার অপকর্ম ঢাকতেই পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। এ ব্যাপারে কথিত সাংবাদিক মনিরের সাথে তার ব্যবহৃত ২ টি মুঠো ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বাবুগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই মোঃ গাজী শামিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।




