ads

মঙ্গলবার , ১ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

গারো পাহাড়ে আলো ছড়াচ্ছে ‘দিগলাকোনা মিশন’

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১, ২০১৪ ৩:১২ অপরাহ্ণ

Diglakonaরেজাউল করিম বকুল, শ্রীবরদী (শেরপুর) : ‘দিগলাকোনা মিশন’ এখন শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের আলোক বর্তিকা। এটি এখন সীমান্তের অবহেলিত জনপদে আলো ছড়াচ্ছে। খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনকে গড়ে তোলার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটি শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মরিয়মনগর মিশন থেকে শাখা মিশন হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত পরিচালিত হয়ে আসছিল। ক্যাথলিকমন্ডলীর ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের প্রধান বিশপ পৌল পনেন কুবি-সি.এস.সি-ডি.ডি গত বছর আনুষ্ঠানিকভাবে ওই মিশনের ঘোষণা করেন। ওই মিশনের নাম রাখেন সাধু আন্দ্রে ধর্মপল­ী। ময়মনসিংহ ধর্ম প্রদেশের ভিকার জেনারেল ফাদার রবার্ট মানখিন, প্রভিনসিয়াল, বিভিন্ন মিশনের ধর্মযাজকগণ, কারিতাস ময়মসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক থিওফিল নিশারন নকরেক, বিদেশী মিশনারীজ এবং এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ গিয়েছিলেন ওই মিশনে।

Shamol Bangla Ads

অবহেলিত দিগলাকোনা সব দিক থেকে সুবিধা বঞ্চিত। এটি ভারতের সীমানাঘেষাঁ গারো আদিবাসীদের একটি প্রাচীন গ্রাম। ঝোঁপ জঙ্গলে আবৃত্ত এ গ্রাম থেকে তিনি স্বপ্ন দেখেন মিশনের মাধ্যমে একটি সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলার। সে স্বপ্নের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে। মিশনটির স্বীকৃতিদানের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে শেরপুরের শ্রীবরদী এবং জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নৃ-তাত্তি¡ক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, চিকিৎসা সেবাসহ অনেক আধ্যাত্মিক ও সামাজিক কাজের সেবাদানে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। এরই মধ্যে সার্বজনীনভাবে পাহাড়ী ও গ্রামীণ এলাকার প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার লক্ষ্যে নির্মাণ হয়েছে ডিসপেনসারীর বহুতল ভবন। চালু হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্যে স্কুল এন্ড হোস্টেল। ওই মিশন স্বীকৃতির পর থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে চারপাশে অবস্থানরত সকলের জন্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানালেন ফাদার শেখর রিচার্ড পেরেরা-সি.এস.সি। তিনি জানান, এটি ফিলিপাইনের নাগরিক ফাদার আলেক্স রাবানলের একটি স্বপ্ন ছিল। যিনি ১৯৫৯ সালে বাংলাদেশে এসে এ দেশকে হৃদয় দিয়ে ভালবেসেছেন। মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীকে সরাসরি নানা প্রকার সহায়তা করেছেন। এই সহায়তার জন্যে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীরা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধরার জন্য বারবার হানা দিয়েছিল। পরে তিনি বান্দরবনের দুর্গম পাহাড়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করে বেঁচে আছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘খুব ভাল লাগছে, তবে দায়িত্বটাও বেড়েছে। সবাই সহযোগিতাও করছেন। তার মতে, আরও সহযোগিতা পেলে উন্নয়নের পাশাপাশি আরও বেশি সেবাদান সহজতর হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!