নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার জেলার সড়ক মহাসড়কে নছিমন ,করিমন ,ভটভটি ,ইজি বাইক চলাচল ব্যাপক ভাবে বেড়ে গেছে । ট্রুটিযুক্ত ব্রেক,স্টিয়ারিং ও ঝুকি পূর্ণবডির অবকাঠামো নিয়ে নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে চলছে সড়ক Ñ মহাসড়কে । এসব গাড়ির রেজিস্ট্রেশন অথবা চলকের কোন বেধ লাইসেন্স নেই। নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে চলার কারণে সড়ক দূঘটনা ঘটছে অহরহ । ক্ষতি হচেছ মানুষের যানমালের । অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্তা নেওযা হচ্ছে না ।সড়ক -মহাসড়কে যত্রতত্র যাত্রীবহনের ফলে বাস/মিনি বাসের বৈধ পরিবহন ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ।
জানাযায়,সাতক্ষীরা -খুলনা – মহাসড়কের মীর্জাপুর বাজারে গড়ে উঠেছে ইঞ্জিন ভ্যান তৈরির কারখানা । সরকারের কোন অনুমতি ছাড়া গড়ে উঠেছে ১০/১৫টি ইঞ্জিন ভ্যান তৈরির কারখানা । মাঝে মধ্যে প্রশাসন এসব কারখানা বন্ধ করে দিলে ও অদৃশ্য শক্তির বলে আাবার শুরু হয় হঞ্জিন ভ্যান তৈরির কাজ । এখানকার তৈরি ইঞ্জিন ভ্যান বিক্রি হয় দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের প্রতিটি জেলায় । এসব ইঞ্জিন ভ্যানের নেই কোন ব্রেক ,হর্ণ , রেজিস্ট্রেশন আর এই ইঞ্জিনভ্যানকে বলা নছিমন করিরন । অদক্ষ চালকরা নচিমন ,করিমন, ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ,মহেন্দ্র, বেপোরোয়া ভাবে চলছে সড়ক- মহাসড়কে । ফলে দূঘটনা ঘটছে অহরহ । মানুষের জানমালের দারূন ক্ষতি হচেছ । অনেকে পঙ্গু হচ্ছে আবার। অনেকে মারা যাচ্ছে । এই ধরণের গাড়ি সড়কÑ মহাসড়কে চলাচল নিশিদ্ধ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ্া নেওয়ার মত কেই নেই । যত্রতত্র যাত্রীবহনের ফলে বাস মিনিবাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে । এসব নিয়ে একাধিক বার আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে বন্ধের সিধ্যান্ত হয়েছে । অবরোধ ও ধর্মঘাটের মত কর্মসূচি পালন করেছে বাস মালিক সমিতি । কাজের কাজ কিছুই হয়নি ।
সাতক্ষীরার বহুল আলোচিত ব্যবসার নামে চেক দিয়ে প্রতারণার পলাতক আসামী অশোক সাধু আটক

চেকের মাধ্যমে ৩০ লক্ষাধিক টাকা প্রতারণার অভিযোগে দায়েরকৃত সাতটি মামলার পলাতক আসামী বহুল আলোচিত আশোক সাধুকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। বৃহষ্পতিবার রাত ৯টার দিকে তাকে যশোরের চুকনগর বাসস্টাÐ থেকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বাইগনি গ্রামের রমেশ হাজরার ছেলে রুপায়ন হাজরা জানান, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু’র ভাইপো তৈলকুপি গ্রামের অশোক সাধু ব্যবসার নামে চেক দিয়ে তার কাছ থেকে দেড় বছর আগে নগদ ১০ লাখ টাকা নেয়। তার বাবা শঙ্কর সাধু ও কাকা বিশ্বজিৎ সাধুকে জানিয়ে কোন লাভ না হওয়ায় তিনি আদালতে মামলা করেন। আদালত অবমাননা করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
ভোমরা স্থলবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ি জিয়াউল ইসলাম জিয়া জানান, এক বছর আগে অমোক তার কাকার পরিচয় দিয়ে ব্যবসার নামে পেয়াজ নিয়ে কিছু নগদ টাকা ও ৭০ হাজার টাকার চেক দেয় আশোক সাধু। ব্যাংকে যেয়ে টাকা না পাওয়ায় তিনি বিশ্বজিৎ সাধু ও শঙ্কর সাধুকে বিষয়টি জানান। তারা টাকা দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে ছেলেকে ভারতে পাঠিয়ে দেন।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ জানান, অশোকের বিরুদ্ধে চেক ডিসঅনারের সাতটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে পালিয়ে ছিল। বৃহষ্পতিবার গোপন খবরের ভিত্তিতে পাটকেলঘাটার ব্যবসায়ি রুপায়ন হাজরাসহ তিনজন আশোককে বাস থেকে নামা মাত্রই চুকনগর বাসষ্টাÐ থেকে আটক করে পাটকেলঘাটা থানায় সোপর্দ করেন। তার বিরুদ্ধে ভোমরা, যশোরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসার নামে চেক দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে তাকে পাঁচটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।




