আরিফ মাহমুদ, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) : কলারোয়াও পিছিয়ে থাকলো না লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে ইতিহাস গড়ার অংশীদারের সাক্ষী হতে। স্বাধীনতার ৪৩বছরে বুধবার ঠিক বেলা ১১টায় কলারোয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘স্বাধীনতা’র পাদদেশে ‘আমার সোনার বাংলা-আমি তোমায় ভালবাসি’ সঙ্গীতে গলা মেলায় কলারোয়ার সকল স্তরের মানুষ। কলারোয়ার ইতিহাসে বিশালাকৃতির জাতীয় পতাকার ছায়াতল ছাড়িয়ে মানুষ উপচে পড়ে কলারোয়া ফুটবল মাঠে। সকলে বুকে হাত রেখে সম্মিলিত কন্ঠে গেয়ে উঠে জাতীয় সঙ্গীত। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, ইউএনও অনুপ কুমার তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, ওসি মুন্সি মোফাজ্জেল হোসেন কনক, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম রহমান, সহ.সভাপতি আনিছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান কামরুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, কার্যকরী সদস্য শিক্ষক দীপক শেঠ, প্রবীন সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল¬ু, এমএ সাজেদ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, জুলফিকার আলি, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসার বিপুল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, সরকারি-বেসরকারি অফিসের কর্মরত ব্যক্তিরাসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা।
অকৃত্রিম ভালোবাসায় কলারোয়াবাসী পালন করলো মহান স্বাধীনতা দিবস

অকৃত্রিম ভালোবাসা আর বিন¤্র শ্রদ্ধায় কলারোয়াবাসী স্মরণ করলো জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযুদ্ধের শহীদরে। স্বাধীনতার ৪৩বছরে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষ্যে বুধবার সকালে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘স্বাধীনতা’র পাদদেশে একে একে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা প্রশাসন, থানা, পৌরসভা, প্রেসক্লাব, আ’লীগ, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও তাদের অংগসংগঠন এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। পরে কলারোয়া ফুটবল মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলণ, কুচকাওয়াজ, শারীরিক ডিসপ্লে, উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে প্রীতি ফুটবল ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ও অংশ নেয়ায় তাদেরকে পুরষ্কার প্রদাণ করা হয়। দিনভর আয়োজিত সমগ্র অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, ইউএনও অনুপ কুমার তালুকদার, ওসি মুন্সি মোফাজ্জেল হোসেন কনক, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, আ.গফফার, সৈয়দ আলী, আবুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, সিংগা হাইস্কুলসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাতক্ষীরার বাঁশদহায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা পালিত

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নে ৪৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার দিনভর দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে রেউই বাজারে অবস্থিত মির্জানগর হাইস্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ইজাজ আহম্মেদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মফিজুর রহমান, অশোক কুমার, আবুল কালাম, সাজ্জাদ হোসেন, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মিজানুর রহমান। এদিকে, উত্তর কামারবায়সা প্রাইমারী স্কুলে অনুরূপ অনুষ্ঠান স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষিকা শিউলি পারভীন, সহ.শিক্ষিকা রোমেনা খাতুন, ছাবিনা খাতুন, শেফালী আক্তার শেফাসহ ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাহবুবুর রহমান। অপরদিকে, মির্জানগর দাখিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত অনুরূপ অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাঁশদহা জাতীয় পাটির সভাপতি এসএম সুলতান আহম্মেদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আলী মুনছুর, হাজী আনছার আলী, আজহারুল হক, মাও. আব্দুর রউফ, প্রভাষক অহিদুজ্জামান লাভলু, মাও. মমতাজ আহম্মেদ প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাস্টার মোস্তফা আবুল বাশার। মহান এ দিবসে শহীদরে প্রতি পুষ্পমাল্য অর্পণ, জাতীয় সংগীত, গান, গজল, খেলাধূলা, নাটক, কৌতুকসহ নানা ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।




