মো.সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু বাজার মূল্য কম হওয়ায় কৃষকরা হতাশ। উত্তরাঞ্চলের তথা বগুড়ার শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রাম উপজেলা। নন্দীগ্রাম উপজেলার ফসলি জমির মাটির উর্বর শক্তিও অনেক বেশি। তাই এ অঞ্চলের ফসলি জমিতে ৪ বার ফসল ফলানো হয়। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায়, চলতি রবি মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৩হাজার ১শ ৩০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৪ হাজাÍ ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে টরি-৭, শ্বেতী, বারী-১৪ ও বারী-১৫ জাতের সরিষার চাষ হয়েছে। এতে দেখা যায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষার চাষ হয়। এবার ৪ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে ৭২ হাজার ২শ মেট্রিক টণ সরিষা উৎপাদন হয়েছে। সরিষা উৎপাদন এবার বৃদ্ধি হলেও বাজার মূল্যকম থাকায় কৃষকরা হতাশায় পড়েছে। বর্তমান হাট-বাজারে শুকনা সরিষা ১৪০০ টাকা মন দরে বিক্রয় হচ্ছে। আধা শুকনা সরিষা ১২শ টাকা মন দরে বিক্রয় হচ্ছে। গত বছর ১৮শ থেকে ১৯শ টাকা মন দরে সরিষা বিক্রয় হয়েছে। ২০১২-২০১৩ সালে ২৭শ থেকে ২৮শ টাকা মন দরে সরিষা বিক্রয় হয়েছে। সরিষার মূল্যকম হলেও তেলের মূল্য কমে নি। আগের চেয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলার কৃষকদের সরিষার আবাদের অনেকটা আগ্রহ বেড়েছে। সরিষা কাটার পর আবার ওইসব জমিতেই ইরি-বোরো ধান চাষ করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহা.মশিদুল হক বলেছেন, নন্দীগ্রাম উপজেলায় ধান ও রবি শস্য ফলনের জন্য আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে।




