শ্যামলবাংলা স্পোর্টস : বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে ১০ মার্চ সোমবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের মতে, টি-টোয়েন্টিতে ঝুঁকি তো নিতেই হয়; ‘১২০ বলের ইনিংসে’ এটাই স্বাভাবিক। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে শুরুর দিকেই অতিরিক্ত শট খেলার প্রবণতা দেখা যায়- এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমরা যেভাবে খেলি, আমাদের খেলোয়াড়দের যে ধরনের স্বভাব, আমরা ওভাবেই ক্রিকেট খেলবো। আমরা ওভাবেই খেলে সফল হয়েছি। আমরা আমাদের গেম প্ল্যান চেঞ্জ করবো না। সাংবাদিকরা যতই বলুক, এশিয়া কাপের ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস তলানিতে; সাকিব তা মানেন না। আগে (এশিয়া কাপে) আমরা ওয়ানডে খেলেছি, আর এটা হচ্ছে টি-টোয়েন্টি। স্বাভাবিকভাবেই এ দুটো ফরম্যাটে অনেক পার্থক্য আছে। অনেক প্লেয়ারও নতুন (দলে) এসেছে।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ছাড়াও আইপিএল, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ও অস্ট্রেলিয়ায় বিগব্যাশ খেলা সাকিব এ ফরম্যাটে বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। দলে তাই নিজের সাধ্যমতো অবদান রাখার চেষ্টার কথা জানালেন এই অলরাউন্ডার। ১৬ মার্চ মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ নেপাল ও হংকং।
‘বাছাই পর্ব’ পেরিয়ে মূল পর্ব ‘সুপার টেনে’ উঠতে হলে মূল প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানই। কিন্তু সাকিব আলাদা করে দেশটিকে গুরুত্ব দিতে চান না। ক্রিকেটে চমক দেখানো এই দেশটির কোনো ক্রিকেটারকে নিয়ে না ভেবে বরং নিজেদের নিয়েই ভাবাটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তিনি।।
এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের কাছে ৩২ রানে হারলেও শক্তির বিচারে নিজেদেরই এগিয়ে রাখছেন সাকিব। তার মতে, প্রতিপক্ষ সেরা খেলাটা খেললেও, নিজেরা সেরাটা খেলতে পারলে বাংলাদেশই জিতবে। নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপে সাকিবের লক্ষ্য আপাতত আফগানিস্তানকে হারিয়ে মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা। মূল পর্বে উঠলে পরেই কেবল নতুন লক্ষ্যের কথা ভাববেন তিনি।
দেশের মাটিতে পরিচিত পরিবেশে দলকে এগিয়ে রাখতে নারাজ সাকিব। তিনি মনে করেন, স্পিন সহায়ক উইকেটে উপমহাদেশের সব দলই সুবিধা পাবে।




