ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী : রাজশাহীর বাঘায় পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্র তেতুল গাছ থেকে পড়ে নিহত হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার মাঝপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র ও ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রেজাউল করিম ফয়সাল (১১) গত রোববার দুপুর দেড়টার দিকে স্কুলের টিফিনে বাড়ি আসার পথে কান্দু সরকারের বাড়ির আঙ্গিনায় তেতুল খাওয়ার জন্য গাছে উঠে। ওই গাছের ডাল ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে আহত হয়। আহত অবস্থায় তাৎক্ষনিত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১নং ওয়ার্ডে পরে ৯নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ভর্তির কয়েক ঘন্টা পর গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে তার মৃত্যু হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এজাহার আলী বলেন, প্রতিদিনের মতো ওই দিন বেলা দেড়টার দিকে টিফিন দেয়া হয়। টিফিনের সময় ছেলে-মেয়েরা বাড়িতে খেতে যায়। রেজাউল করিম ফয়সাল টিফিন খেতে যাওয়ার সময় কয়েক বন্ধু মিলে তেতুল গাছে উঠলে ডাল ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে নিহত হয়েছে। তবে মা ফায়মা বেগম ছেলের মৃত্যুর খবর শুনার পর থেকে বারবার মূর্চা যাচ্ছিল।
বানেশ্বরে শীতার্ত ও দুঃস্থদের মাঝে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের শীত বস্ত্র বিতরণ

গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫ টায় প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড বানেশ্বর শাখার উদ্দ্যেগে শাখা প্রাঙ্গনে গরীব দুঃখীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে প্রাইম ব্যাংক বানেশ্বর শাখার সম্মানিত ব্যবস্থাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক বাংলা ট্রাক ক্রিকেট একাডেমী এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবজ মোঃ আসাদুজ্জামান তুহিন, বানেশ্বর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব আজিজুল বারী মুক্তা, অনুষ্ঠানে আরোও উপস্থিত ছিলেন বানেশ্বর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমিনুল হক মিন্টু, আব্দুর রব, শাহ্ আলম, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বানেশ্বর শাখা প্রাইম ব্যাংক লি. অফিসার মেহেদী হাসান, আরিফুল হক, মোস্তাফিজ, ইউসুফসহ প্রাইম ব্যাংক বানেশ্বর শাখার কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ অনুষ্ঠাননের সার্বিক তত্বাবধান ও পরিচালনা করেন শাখার সম্মানিত সহ-ব্যবস্থাপক মোঃ জাহাঙ্গির আলম।
পুঠিয়ায় অর্পীত খ-তফসীল ভুক্ত স¤পত্তির ভুমি উন্নয়ন কর আদায়ে প্রশাসনের গড়িমশি
পুঠিয়া উপজেলায় অর্পীত খ-তফসীল ভূক্ত সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর অদায়ে প্রশাসনের গড়িমশি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত ২১ নভেম্বও ২০১৩ইং তারিখে গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সকারের ভূমি মন্ত্রনালয় (আইন অধিশাখা-৪) থেকে যুগ্নসচীব এক পরিপত্রে অর্পীত সম্পত্তি প্রত্যাবর্তন আইনে খ-তফসীল বাতিল করায় এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকার জনস্বার্থে খ-তসীল ভূক্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে যে সকল সম্পত্তির হোল্ডিং বৈধ ভাবে খোলা হয়েছিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা হতো সে সকল সম্পত্তির ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর পূর্ববৎ আদায় করতে বলা হয়েছে। অথচ এ নির্দেশ অমান্য করে পুঠিয়া উপজেলার পুঠিয়া মৌজার জে এল নং হাল ৩০ এস,এ খতিয়ান ৯৭, ১৩৭, ১৩৮, ১৪২ ও আর, এস ৬৪ নং খতিয়ানের ২২ একর ৫৯ শতাংশ সম্পত্তির এস,এ ও আর, এস রেকডীয় মালিক কমর বেগম বিগত প্রায় ৫০ বছর ধরে নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর ও খাজনাদী পরিশোধ করে ভোগ দখল করে আসা কালে পুঠিয়ার ভূমি দস্যু স্ব-ঘোসিত রাজা (সাবেক পুঠিয়া জমিদার এস্টেটের নায়েব) খলিলুর রহমান উক্ত সম্পত্তি গ্রাসের আপচেষ্টায় কমর বেগম ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ডেপুটি কমিশনার এনিমি প্রপ্রাটি ল্যান্ডস এন্ড বিলডিংস সহ রাজা নরেশ চৌধুরীর হিন্দু স্ত্রী শুরেশ্বরী দেবীর ওয়ারিশ গীতা দেবী দিং দেরকে বিবাদী করে রাজশাহী বিজ্ঞ সাবজজ আদালতে ৪০/৭৮ অঃ প্রঃ মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় সাবজজ আদালত খলিলুর রহমানের পক্ষে রায় ও ডিগ্রী প্রদান করলে, করম বেগম মহামান্য হাইকোট বিভাগে খলিলের এই রায়ের বিরুদ্ধে ৫৪/৮২ নং প্রথম আপীল মোকদ্দমা দায়ের করেন।উক্ত আপীল মোকদ্দোমায় হাইকোট্ খলিলের নিম্ন আদালতের ৪০/৭৮ অঃপ্রঃ মামলার রায় ও ডিগ্রী বাতিল কওে কমর বেগমের পক্ষে রায় ও ডিগ্রী প্রদান করেন। এর পর জালিয়াত খলিলুর রহমান হাইকোটে ৫৪/৮২ আপীল মামলার রায় ও ডিগ্রীর বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোটের আপীল বিভাগে ৩৭/৯২ নম্বর সিভিল পিটিশন লিভটু আপীল মোকদ্দমা দায়ের করেন। খলিলের উক্ত ৩৭/৯২ নম্বও সিভিল পিটিশন ফর লিভটু আপীল মোকদ্দমাটি গত ১০/০৮/৯৭ ইং তারিখে কমর বেগমের হাইকোট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত ৫৪/৮২ প্রথম আপীল মোকদ্দমার রায় ও ডিগ্রী বহাল রেখে সুপ্রিম কোট পিটিশনটি খারিজ কওে দেন। হাইকোটের এই রায় এখন ও বহাল রয়েছে। এই রায় বহাল ও ভোগদখল কার অবস্থায় এবং সরকারী সেরেস্থায় খাজনাদী পরিশোধ থাকা কালে পুঠিয়ার সাবেক এসিল্যান্ড কলোল চক্রবর্তী ও সাবেক টিএনও জমরুদ হোসেন হাইকোটের রায় ও ডিগ্রী গোপন করে জেলা প্রশাসক রাজশাহী বাদী হয়ে কমর বেগমের বিরুদ্ধে পুনরায় রাজশাহী সাবজজ অদালতে সরকারী সম্পত্তি দাবী করে ৫০/৯৩ অঃপ্রঃ মামলা দায়ের করে। এবং কমর বেগম নামীয় হোল্ডিং সমূহের খাজনা আদায় বে-আইনী ভাবে স্থগিত করে। এই অবৈধ বেআইনি হোল্ডিং স্থগিত বিরুদ্ধে কমর বেগম বিভাগীয় কমিশনারের আদালতে ১২৭/২০০০ রিভিশন কেস দায়ের করেন। উক্ত বিভশন কেস মামলার বিভাগীয় কমিশনার কমর বেগমের পক্ষে রায় প্রদান পূর্বক স্থগিত হোল্ডিং সমুহের খাজনা আদায়ের নির্দেশ প্রদান করেন। এর পর সরকার পক্ষে জেলা প্রশাসক রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে ভূমি আপিল বোর্ড ঢাকাতে ২৩৯/২০০২নং আপীল মামলা কমর বেগম তথা তার কন্যা রেজিনা জামালের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়। উক্ত মামলা ভূমি আপীল বোর্ড শুনানী অন্তে না মঞ্জুর করেন। এবং কমর বেগমের কন্যা রেজিনা জামালের উক্ত সম্পত্তির খাজনা আদায়ের জন্য এসিল্যান্ড পুঠিয়াকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মোতাবেক কমর বেগম নামীয় হোল্ডিং সমুহ পুনঃ চালু করত খাজনা আদায় গ্রহন করেন। সেই থেকে কমর বেগম ও তার ওয়ারিশরা উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল কওে আসছে। এ ছাড়া কোটের রায় ও ডিগ্রী গোপন করে জেলা প্রশাসকের দায়ের করা সাবজজ আদলতের ৫০/৯৩ অঃপ্রঃ মামলাটি বিচারাধীন সহ রাজশাহী জেলা প্রশাসক বে-আইনি ভাবে ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি খ-তফসিল ভুক্ত করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারী করেন। উক্ত গেজেট প্রজ্ঞাপন জারীর পর কমর বেগম তথা তার কন্যা রেজিনা জামালের পক্ষে রাজশাহী যুগ্ন জেলা জজ আদালতে আবেদন করলে সরকারের দায়ের করা ৫০/৯৩ অঃপ্রঃ মামলা আদালত খারিজ করে দেন। এছাড়া সরকারী গেজেট প্রজ্ঞাপন জারী মাধ্যমে আর্পীত খ-তফসীল বাতিল হয়। এবং ভূমি মন্ত্রনালয় থেকে জেলা প্রশাসক সহকারী কমিশনার ভূমিতেক খ-তফসীলে ভূমি কর আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হলেও কমর বেগমের ওয়ারিশেরা উক্ত সম্পত্তির ভূমি কর আদায়ের জন্য গত বছরের ১০ অক্টোবর তারিখে জেলা প্রশাসক রাজশাহী বরাবরে আবেদন করেন। জেলা প্রশাসক রাজশাহী গত ৩ মাসেও এ ব্যাপারের কোন কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহন নিয়ে গড়িমশি ও তালবাহানা করে চলেছে বলে কমরবেগমের কন্যা রেজিনা জামানের ছেলে জুনায়েদ সুলতান জানান। এব্যাপারের জেলা প্রশাসক মেজবাউল আহাম্মেদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি গুরত্বের সাথে বিবেচনা করে কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
বাঘায় অল কমিউনিটি ক্লাবের উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরন
বাঘায় অল কমিউনিটি ক্লাব লিমিটেডের উদ্যোগে রোববার বিকেলে শীত বস্ত্র হিসাবে ৪০০ ৪’শত কম্বল ও ৪’শত সোয়েটার বিতরন করা হয়েছে। উপজেলা ও পৌর সভার বিভিন্ন গ্রামের হত দরিদ্রদের মাঝে এই শীত বস্ত্র বিতরন করা হয়। বাঘা পৌর মেয়র আক্কাছ আলী,আ’লীগ নেতা মাসুদ রানা তিলু ও ক্লাবের প্রতিনিধি মিঃ জেমস এই শীত বস্ত্র বিতরন করেন।




