ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান গত ১৬ জুলাই রিটটি দায়ের করেন।
বুধবার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী ফেরদাউসুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনে স্নাতক পাস করে বিজিএসসি পরীক্ষা দিতে হয়। তারপরে তিনি বিচার করতে পারেন। অথচ গ্রাম আদালত আইনে একজন চেয়ারম্যান তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বিচার করতে পারেন। একজন অশিক্ষিত চেয়ারম্যান কীভাবে একজনের বিচার করতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ ধারা অনুসারে একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর কোনো প্রকার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই। যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ২৭, ২৮, ৫৯, ৬০ এর পরিপন্থী। সেই সঙ্গে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০২৪) এ একজন চেয়ারম্যানের বিচারিক ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।




