ads

মঙ্গলবার , ৭ জুলাই ২০২৬ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ড, সংসদে বিল পাস

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৭, ২০২৬ ৮:১৬ অপরাহ্ণ

প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজিতেও ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বিলে। ৭ জুলাই মঙ্গলবার ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল–২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

Shamol Bangla Ads

এ আইনে ‘অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র ফাঁসের’ শাস্তি যুক্ত করা হয়েছে। যেকোনোভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা হবে ৫ বছর। বিদ্যমান আইনে প্রশ্নফাঁসের সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর। বিলে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশ’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা লুকানো ডিজিটাল কারসাজির আওতায় পড়বে।

ডিজিটাল কারসাজি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে। বিলে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ বা প্রবেশের চেষ্টা এবং পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্যে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Shamol Bangla Ads

বিলে বলা হয়েছে, কোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে পরীক্ষার্থীর সাথে বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তির সাথে কোনো লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করলে বা করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের সাজাও রাখা হয়েছে বিলে। এতে বলা হয়েছে, কোনো পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন (ওভার অ্যাসেস) বা অবমূল্যায়ন করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে অতি বা অবমূল্যায়নের বিষয়টি নির্ধারিত হতে হবে। বিলে শিশুদের বিষয়ে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো শিশু এই আইনের অধীনে অপরাধ করলে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে সংসদে বিল আনা হয়। ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন রহিত করে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন–২০২৬’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনটি করা হয়েছিল। নতুন আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশ হলেও তা কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাস্তবতার নিরিখে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞান চর্চাও দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বগুড়া জেলায় একটি একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে ’বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!