ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, মহান মুক্তি যুদ্ধের ৪৩ বছরেও দেশটা সবার হতে পারেনি। এখনও সা¤প্রদায়িক সন্ত্রাস দাঙ্গা চলচ্ছে। সাম্প্রদায়িক হামলা করে আর কেউ রেহাই পাবেনা। যেখানেই সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস হবে সেখানেই পৌছে যাবে গণজাগরণ মঞ্চ। সংখ্যালঘু দের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং সাম্প্রাদয়িক সন্ত্রাস প্রতিরোধের ৩ দফা দাবি নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের উদ্যোগে শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের ঢাকা-ঠাকুরগাঁও রোড মার্চের শেষ দিনে ঠাকুরগাঁর গড়েয়া অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে দেয়া বক্তৃতায় এ কথা বলেন ডা.ইমরান।

রোরবার দিনাজপুর হয়ে বিকাল সাড়ে ৩ টায় ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়ায় পৌছেন গণজাগরণ। সেখানে আয়োজিত সমাবেশে মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেন, জামাত শিবির নিষিদ্ধ করার দাবি তিনি বলেন, ১৯৪৬ সাল থেকে দেশের যেখানেই সাম্প্রদায়িক সংঘাত হয়েছে প্রত্যেকটি ঘটনায় দায়ি এই দলটি।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্র“তির প্রশ্নে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা দিয়েছিলেন গণজাগরণ মঞ্চের ৬ দফা বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু তাই যদি হয় তবে জামাত নিষিদ্ধ করা হল না কেন? তিনি আক্রান্ত মানুষদেও উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের প্রতিটি বিবেকবান মানুষ আপনাদের পাশে আছেন। গড়েয়া গোপাল পুর গ্রামে সমাবেশ শেষে সন্ধ্যা ৬ টায় ঠাকুরগাঁও বড় মাঠ শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজিত আরেক গণসমাবেশে বক্তব্য দেন ডা.ইমরান। অধ্যক্ষ রাজিউর রহমান রাজুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্লোগান কন্যা লাকি আক্তার,সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী,জেলা পরিষদ প্রশাসক সাদেক কুরাইশী,প্রেস ক্লাব সভাপতি আখতার হোসেন রাজা,অধ্যক্ষ সৈয়দ মেরাজুল হোসেন,অ্যাড.ইন্দ্রনাথ রায়,অ্যাড.মকবুল হোসেন বাবু,সিনিয়র সাংবাদিক মনসুর আলী,মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মান্নান, জসিয়ার রহমান, মোশারুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে মুক্তি যোদ্ধা,রাজণীতি সাংবাদিক,শিক্ষক,আইনজীবী,ডাক্তারসহ বিভিন্ন পেশার নারী পুরুষ যোগ দেন। গণজাগরণ মঞ্চ আশাহত আমজনতাকে যেন নতুন করে আশার সঞ্চার ঘটায়। অনেকে বলে ওঠেন আরেক একাত্তর গণজাগরণ শুরু হয়েছে।

গণজাগরণের মুখপাত্র ডা.ইমরান বলেন, তিনি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস দমনের জন্য কঠোর আইন ও আক্রমণকারিদেও বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান।
স্লোগান কন্যা লাকি আক্তার বলেন, অনেক হরিদাসিদের সিঁথির শিদুর আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এ দেশের স্বাধীনতা। তাই সাম্পদায়িক হামলা অবশ্যই রুখে দেবে বাংলা। সন্ধ্যা ৭ টায় শান্তি পূণ্য ভাবে সমাবেশ শেষ হয়।




