ads

সোমবার , ২৫ মে ২০২৬ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হামে আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ২৫, ২০২৬ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘হামের টিকার বিষয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। তাদের সাতবার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তারা চেয়েছিল প্রাইভেটলি, টাকা খেতে। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।’

Shamol Bangla Ads

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।’ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

হাম সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চেয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি ১০ জনকে ফাঁসি দিয়েও হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাব? আসলে শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না।’

Shamol Bangla Ads

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের টিকা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দুই কোটির বেশি শিশুদের টিকা দেওয়ার পরও আমরা বসে থাকিনি, সারাদেশে মেডিকেল সেন্টারগুলোতে বলেছি, যে বাচ্চারা হামের টিকা পায়নি তাদের ডেকে ডেকে টিকা দিতে। এই দেশের পরিসংখ্যান ও পৃথিবীর সবদেশের পরিসংখ্যান ভুল আছে। পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর না করে যারা টিকা পায়নি তাদের সবাইকে দেব।’

এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সংকট ও সমস্যার কথা শোনেন। খাবারের মান যাচাই করেন। এছাড়াও রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘আমরা ১০টি জেলায় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর সেবা, অক্সিজেন কনসেনট্রেটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সাপ্লাই করেছি, আগামী কয়েকদিনের ভেতরে আমরা সেখানেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিও) চালু করব, পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি জেলায় আমরা পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর (আইসিও) চালু করব। চিকিৎসকরা আগের থেকেও এখন বেশি উপস্থিত থাকছেন, আগে তো আসতেন না। আজকে এখানে সবার উপস্থিতি দেখলাম। এখানে জরুরি বিভাগ খোলা আছে, লেবার ওয়ার্ডে ডাক্তার আছে, সারাদেশব্যাপী উন্নত হইছে, তিন মাসে তো সব করতে পারব না। দোয়া করেন, আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।’

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ খেত যখন পরিচর্যা শুরু করেন, কামলা নেন, শুরু করেই কি খেতের শেষ মাথায় যাইতে পারে? আস্তে আস্তে যেতে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি।’ তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যেকটি উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করব, বেড সংখ্যাও আমারা বৃদ্ধি করব, যাতে মানুষ সঠিক চিকিৎসা পায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম, জেলা সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান প্রমুখ।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!