টানা ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার চারটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ১৩ মে বুধবার বিকেলে ওই তথ্য নিশ্চিত করেছে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
এদিকে চেল্লাখালি নদীর পানির তোড়ে উপজেলার গোল্লারপাড় এলাকায় বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলি জমির ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষেতের ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মহারশি, ভোগাই ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জেলা কৃষি অফিস থেকে জানানো হয়েছে, শেরপুর জেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ৬৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। বৃষ্টিপাত দীর্ঘস্থায়ী না হলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতি হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার চারটি পাহাড়ি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে চেল্লাখালী নদী ছাড়া অন্য সব নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।




