মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে চলমান এ সংকট কাটতে চলেছে। ১৫ মার্চ রবিবার ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানান, রোজার ঈদ সামনে রেখে পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থাসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। তিন কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণগুলো হলো—প্রথমত বেশ কিছু তেলের জাহাজ এসেছে, দ্বিতীয়ত সামনে ঈদ এবং তৃতীয় কারণ হলো বোরো মৌসুম।

এর আগেই শনিবার (১৩ মার্চ) পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
গত ৬ মার্চ বিপিসির বেঁধে দেওয়া তেল সরবরাহের সীমা ছিল—একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল।

এছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল।
এদিকে রাজধানীর পেট্রল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য ক্রেতার দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। কিছু পাম্পে তেল পাওয়া গেলেও অনেক পাম্পে সরবরাহ কম থাকায় তা মিলছে না। ফলে ভোগান্তি এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে দ্রুত এ সংকট কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে।




