ads

শুক্রবার , ১৭ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সৈয়দপুরে নোটিশ ছাড়াই ৫৪টি আনন্দ স্কুল বন্ধ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ১৭, ২০১৪ ১২:৫১ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে নোটিশ ছাড়াই ৫৪টি আনন্দ স্কুল বন্ধ

নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুরে রিচিং আউট অব চিলড্রেন (রক্স) প্রকল্প কর্তৃক পরচালিত ৫৪টি আনন্দ স্কুল বিনা নোটিশে হঠাৎ করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন এবং কি কারণে বন্ধ করা হলো এর সঠিক ব্যাখাও দিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে স্কুলগুলো বন্ধ হওয়ায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে প্রায় একবছর ধরে স্কুলঘর ভাড়া, শিক্ষক বেতন ও শিক্ষার্থদের উপবৃত্তিও পরিশোধ করা হয়নি। ফলে গেল এক সপ্তাহ ধরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্কুলঘরের মালিক শিক্ষা অফিসে ধর্ণা দিচ্ছেন।
জানা গেছে, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিতে ২০১০ সালে রক্স প্রকল্পের আওতায় সৈয়দপুর উপজেলায় ২১৩টি আনন্দ স্কুল চালু করা হয়। শুরুর দিকে স্কুলগুলো সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসলেও পরবর্র্তীতে চলতে থাকে কচ্ছপ গতিতে। এদিকে কোন কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে গত ডিসেম্বর মাসে সৈয়দপুর পৌর এলাকার ১১টি, কামারপুকুর ইউনিয়নে ১১টি, কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নে ২৪টি, বোতলাগাড়ি ইউনিয়নে ৪টি এবং বাঙ্গালিপুর ইউনয়নের ৪টি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অথচ এসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে।
সৈয়দপুর পৌরসভা এলাকার নতুন বাবুপাড়া আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা শিরীণ আক্তার, হাওয়ালপাড়া আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা রশিদা খাতুন, বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা সৈয়দা ইয়ানূর ও কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের মোল­াপাড়া আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা লায়লা বেগমসহ একাধিক শিক্ষিকা জানান, স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিনা নোটিশেই হঠাৎ করে ৫৪টি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেন। দীর্ঘ একবছর ধরে এসব স্কুলের ঘরভাড়া, শিক্ষক বেতন ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তিও পরিশোধ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ ফিরোজ ইফতেখার বলেন, কিছু সমস্যার কারণে স্কুলগুলো বন্ধ করা হয়েছে। তবে তাদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!