ads

সোমবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারল না পাকিস্তান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ ৩:০২ অপরাহ্ণ

এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০০ পেরোনো স্কোর হয়েছে পাঁচটি। যার একটিতেও নাম নেই ভারত কিংবা পাকিস্তানের। আজও এই দুই দলের সাক্ষাতে সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও ভারত ২০০ ছুঁতে পারেনি। ৭ উইকেটে তুলেছে ১৭৫ রান।

Shamol Bangla Ads

এই স্কোরের আগে ‘মাত্র’ শব্দটা বসানোর কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ১৫৯। এ হিসেবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিপক্ষে ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করা পাকিস্তানের জন্য ‘দুর্গম গিরি, কান্তার–মরু, দুস্তর পারাবার পাড়ি দেওয়ার মতোই। ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বাজে রেকর্ডের মূলে এটাও একটা কারণ। কলম্বোর প্রেমাদাসায়ও আজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে তারা; ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান।

লক্ষ্য তাড়ায় এসে রানের খাতা না খুলেই সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় পাকিস্তান। এরপর আরও তিন উইকেট হারিয়ে প্রথম পাঁচ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর—৩৪/৪! চার ব্যাটারের কেউ-ই ব্যক্তিগত রানকে দুই অঙ্কে নিতে পারেননি। শুন্য রানে আউট হওয়া সাহিবজাদার পর সায়েম আইয়ুব, সালমান আগা, বাবর আজম ফিরেছেন ৬, ৪ ও ৫ রান করে। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগে ৪ উইকেট খুইয়ে বসার পর পঞ্চম উইকেটে দুই খান শাদাব ও উসমান ৩৫ বলে ৩৯ রানে জুটি গড়ে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই উসমানকে ফিরেয়ে এই জুটি ভাঙেন অক্ষর প্যাটেল। ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন উসমান। তাঁর আউটের পর মোহাম্মদ নেওয়াজ (৪) ও শাদাব খানও (১৪) আউট হয়ে গেলে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান। এই ম্যাচ জিতে গ্রুপ ‘এ’ গ্রুপ থেকে সবার আগে সুপার এইটে নিশ্চিত করল ভারত।

Shamol Bangla Ads

কলম্বোর প্রেমাদাসায় টস জিতে আগে ফিল্ডিং বেছে নিয়েছিল পাকিস্তান। শিশিরের কথা মাথায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন। সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমান করে প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মাকে (০) ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতেই স্ট্রাইকে আসা বোলার সালমান। এরপর উইকেটে ইশান কিশাণ ও তিলক ভার্মার ৪৬ বলে ৮৭ রানের জুটি। দুর্দান্ত খেলেছেন তাঁরা। স্বভাবসূলভ আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন কিশাণ। ৪০ বলে করেছেন ৭৭ রান। ১০টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৯২.৫০। ইনিংসের নবম ওভারে সায়েম আইয়ুবকে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে যান ইশান। হাফ ছেড়ে বাঁচে পাকিস্তান।

কিশাণের বিদায়ের পর ভারতের রানের চাকা কিছুটা স্তিমিত হয়ে যায়। চাপ বাড়তে থাকে ভারতীয় ব্যাটারতের ওপর। সেটির সুযোগ নিয়ে ১৫তম ওভারে পরপর দুই বলে তিলক ভার্মা (২৫) ও হার্দিক পান্ডিয়াকে (০) ফিরিয়ে দেন আইয়ুব। হ্যাটট্রিকও পেয়ে যেতে পারতেন। পরের বলে পরাস্ত হয়েছিলেন ব্যাটার শিবম দুবে। আবেদনও করেছিলেন পাকিস্তানি ফিল্ডাররা। কিন্তু সাড়া দেননি আম্পায়ার। ভারতের স্কোর পৌণে দু শ নিতে শিবমেরও অবদান; রানআউট হওয়ার আগে ১৭ বলে করেছেন ২৭। তাঁর আগে ২৯ বলে ৩২ রান করে পাকিস্তানের স্পিন সেনসেশন উসমান তারিকের শিকার হন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।

বল হাতে সবচেয়ে সফল সায়েম আইয়ুব; ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ভারতের পুরো ২০ ওভারের ১৮ ওভারই বোলিং করেছেন পাকিস্তানি স্পিনাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটাই এক ইনিংসে স্পিনারদের বেশি ওভার বোলিং করার রেকর্ড।

Need Ads
error: কপি হবে না!