ads

শনিবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : হারতে বসা ম্যাচে পাকিস্তানকে জেতালেন ফাহিম আশরাফ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ ৩:৩০ অপরাহ্ণ

মনে হচ্ছিল লক্ষ্যটা মামুলিই। ৬ ওভারে ৬১ আর ১০ ওভারে ৯০ তুলে পাকিস্তান তা মনেও করাচ্ছিল। সেই ম্যাচটাই আরেকটু হলে হাত ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছিল ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নদের। তবে শেষমেশ তা হয়নি ফাহিম আশরাফের কল্যাণে। শেষ দিকে তার ১১ বলে ২৯ রানের দারুণ এক ক্যামিও পাকিস্তানকে এনে দেয় ৩ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস এক জয়।

Shamol Bangla Ads

ভারত ম্যাচ বয়কটের কারণে প্রতিটি ম্যাচই এখন পাকিস্তানের জন্য ডু অর ডাই, সঙ্গে চোখ রাখতে হবে নেট রান রেটেও। সে কারণে বড় বড় সব জয় চাই। সে জন্যেই হয়তো, ১৪৮ রানের লক্ষ্য হলেও পাকিস্তান শুরুতে ওভারপ্রতি রান তুলছিল ১০ করে। শুরুটা করে দেন সাইম আইয়ুব। ১৩ বলে ২৪ করে তিনি যখন ফেরেন ইনিংসের তৃতীয় ওভারে, তখন দলের রান মোটে ২৭।

তার বিদায়ের পর হাল ধরেন সাহিবজাদা ফারহান। তিনে নামা অধিনায়ক সালমান আলী আগা দ্রুত ফিরে গেলেও ৩১ বলে ৪৭ রানের ইনিংসে দলকে তরতরিয়ে এগিয়ে নিচ্ছিলেন ফারহান। তবে তিনি আউট হতেই বিপাকে পড়ে যায় পাকিস্তান। দলীয় ৯৮ রানে বিদায় নেন তিনি, এর ৭ বলের ব্যবধানে উসমান খান আর বাবর আজমকেও খুইয়ে বসে দলটা।পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় শাদাব খান আর মোহাম্মদ নওয়াজকে ১১৪ রানের মাথায় হারিয়ে ফেললে। ৩৪ রান দূরে থাকতে ৭ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

Shamol Bangla Ads

এরপরই শুরু আশরাফ জাদুর। যদিও তার পথটা মসৃণ ছিল না। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে ছক্কা হাঁকালেও পরের বলেই ক্যাচ তুলে দেন তিনি। তবে ম্যাক্স ও’ডাউড ক্যাচটা নিতে পারেননি। সে ওভারেই আরও দুই ছক্কা আর এক চারে ডাচদের সম্ভাবনা শেষ করে দেন তিনি। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৫ রান, সেটা তুলতে সমস্যাই হয়নি সালমানের দলের। ফাহিম মূলত অলরাউন্ডার হলেও তাকে আজ বোলিংয়ে আনা হয়নি, বিশেষজ্ঞ ব্যাটারের মতোই তিনি তার দায়িত্বটা পালন করেছেন ব্যাট হাতে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডস শুরুটা ভালোই করেছিল। মাইকেল লেভিট আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। তবে ১৫ বলে ২৪ রান করা তার ইনিংস থামিয়ে দেন বাবর আজম। তিনি লফটেড ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন। বাবর দৌড়ে গিয়ে অসাধারণভাবে বল সীমানা ছোঁয়ার আগে ভেতরে পাঠান, শাহিন আফ্রিদি ক্যাচটি সম্পন্ন করেন। এই ক্যাচে লেভিট ফিরে যান।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নেদারল্যান্ডস। ২০ রান করা কলিন অ্যাকারম্যানকে বোল্ড করেন আবরার আহমেদ। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন স্কট এডওয়ার্ডস, ৩০ রান করে তাকে সঙ্গ দেন বাস ডি লিডে।

তবে ১৭তম ওভারে সব ভেঙে পড়ে। এডওয়ার্ডস আবরারের বলে স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন। এই ওভারে প্রথমবার বল করতে এসে সাইম আইয়ুব মাত্র দুই বলেই লগান ফন বিককে আউট করেন। তিনি শূন্য রানে ফেরেন। পরের দুই বলেই জ্যাক লায়ন-ক্যাশেট লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এই তিন উইকেটেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্তান।

এর আগে নেদারল্যান্ডস ১০ ওভারে ৭৯ রান তোলে। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরুর ১০ ওভারে তাদের সর্বোচ্চ স্কোর। তবে এরপর চাপ সামলাতে পারেনি তারা। ১৪৭ রানে অলআউট হয়। যা তাড়া করতে গিয়ে পাকিস্তান ক্ষণিকের জন্য পথ হারালেও শেষমেশ ঠিকই জয় তুলে নেয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!