শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখি ঝড়ে পড়ে যাওয়া অংশীদারদের ২ লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগ গাছের অংশিদার ও এলাকাবাসীর।

অভিযোগে প্রকাশ, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পূর্বে একটি বিদেশি সংস্থা ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বনগাঁও থেকে কালাকুড়া কদমতলী রাস্তার দুপাশে অংশীদারের ভিত্তিতে প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে আকাশমনি বৃক্ষ রোপণ করে। নিয়মানুযায়ী গাছগুলো কাটার উপযুক্ত হলে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ওই গাছ নিলামে বিক্রি করে ৪০ ভাগ অংশীদার, ৪০ ভাগ রাস্তার পাশের জমির মালিক ও ২০ ভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি কোষাগারে।
স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় এক মাস পূর্বে কালবৈশাখী ঝড়ে কালাকুড়া এলাকায় অর্ধশতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে পড়ে। নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাছগুলো সংরক্ষণের কথা থাকলেও পরিষদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। সম্প্রতি কালাকুড়া গ্রামের প্রভাবশালী জনৈক মামুনের নেতৃত্বে ৫/৬ জন গাছগুলো বিক্রির উদ্যেশ্যে তাদের বাড়ির সামনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। ওইসব কাঠের বাজার মূল্য ২ লক্ষাধিক টাকা হবে বলে স্থানীয়রা জানান। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই ঘটনায় কালাকুড়া গ্রামের অংশীদার আবু রায়হান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ বিষয়ে বিএনপি কর্মী মামুনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলের নির্দেশে গাছগুলো কাটা হয়েছে।
গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম পলাশের সাথে কথা তিনি বলেন, গাছ কাটার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। খবর পেয়ে গ্রামপুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমীনের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলের সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।




