তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিলা : কুমিলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার রতনপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ীস্থিত র্নিমাণাধীন বিষ্ণু মন্দিরের ভিতরে রক্ষিত খড়-কুটায় শনিবার মধ্যরাতে আগুন লাগিয়ে দেয় র্দুবৃত্তরা।

এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন- কুমিলা জেলা প্রশাসক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, জেলা পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্ত্তী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টাণ ঐক্য পরিষদ কুমিলা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কুমিলা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কমল চন্দ খোকন, অনুভব সমবায় সমিতি লিঃ কুমিলা জেলা শাখার সভাপতি গোপাল চন্দ্র ভৌমিক, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কুমিলা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক ও কুমিলা সিটি প্রেসক্লাব সম্পাদক তাপস চন্দ্র সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবময় দেওয়ান, চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম চক্রবর্ত্তী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১৩নং জগন্নাথ দীঘি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহাবুবুল হক খাঁন ও ইউপি মেম্বার মোঃ তাজুল ইসলাম, শংকর মজুমদারসহ অত্র এলাকার অনেক মানুষ। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রতনপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ী’র নিবাসী শংকর মজুমদারের হাতে ৩বান টিন ও ৯ হাজার টাকা চেক প্রদান করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবময় দেওয়ান।

এদিকে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যশোর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নাটোর ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু স¤প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলা, বাড়ী-ঘর ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন- বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টাণ ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ ছাত্র-যুব-ঐক্য পরিষদ কুমিলা জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ।




