ads

রবিবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভ্রমণ : ত্রিপুরায় রবি ঠাকুর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫ ২:৩৩ অপরাহ্ণ

রফিক মজিদ, ত্রিপুরা থেকে ফিরে

Shamol Bangla Ads

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিলো নিবিড় সম্পর্ক। ১৮৯৯ থেকে ১৯২৬ সালের মধ্যে তিনি অন্তত সাতবার এ রাজ্য ভ্রমণ করেন। কবির বেশ কিছু কবিতা, গান ও উপন্যাস এই ত্রিপুরায় বসে লেখা। এর মধ্যে বিসর্জন, রাজর্ষি, মুক্তি উল্লেখযোগ্য।

কবি গুরু ভারতের মেঘালয়েও ভ্রমণ করেছেন। সেসময় তিনি মোঘালয়ের শিলং-এ বসে রচনা করেছিলেন শেষের কবিতা উপন্যাসটি। সেখানেও তার রয়েছে অনেক স্মৃতি। রয়েছে তার অবস্থানকালের স্মৃতিময় বাড়ি-বাংলো। তার ব্যবহৃত অনেক কিছুই আজও অম্লান হয়ে আছে শিলং রবি ঠাকুর প্যালেস যাদুঘরে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো শিলং-এ স্থানীয়দের বেশীর ভাগ মানুষ রবি ঠাকুরকে চিনেন না। বিশেষ করে সেখানকার যুবসমাজ বা শিক্ষার্থীদের বেশীর ভাগই রবি ঠাকুরের নাম শুনে প্রথমে থমকে যায়। এর কারণ, সেখানের মানুষ বাঙালি নয়, তারা খাসিয়া ও গারো জাতিগোষ্ঠির।

Shamol Bangla Ads

সে কারণে বাঙালি কৃষ্টি-কালচার ও কবি-সাহিত্যিকদের না চেনারই কথা। তবে এর বিপরীত দেখেছি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। এখানের ৮৭ ভাগ মানুষ বাঙালি হওয়ায় এখানকার মানুষ, সামাজিক অবস্থা, কৃষ্টি-কালচার, ভাষা হুবহু বাংলাদেশের মতোই।

ভারতের আরেক রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও বাঙালি কৃষ্টি-কালচারের অভাব নেই। তারপরও ত্রিপুরার মতো আন্তরিক মনে হয়নি আমার কাছে ।

ত্রিপুরায় রবি ঠাকুরকে বেশ মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। তার প্রমাণস্বরূপ শহরের বিভিন্ন পার্ক, সরকারি-আধাসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিকভাবেই রবি ঠাকুরের অবস্থান স্থানীয় মানুষের হৃদয় প্রান্তের অনেক ভিতরে। তাইতো সেখানকার তৎকালীন টিপরা রাজাও রবি ঠাকুরের সম্মানে প্রতিষ্ঠা করেছেন বাড়ি, গার্টেন বা পার্ক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপুর্ণ স্থানে রয়েছে তার স্ট্যাচু।

শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ালেই চোখ পড়বে রবি ঠাকুরের এসব স্ট্যাচু। উমাকান্ত একাডেমী নামে এমনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে আগরতলা শহরের মূল কেন্দ্রে। বেশ সু-নাম ও শত বছরের পুরোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকা রবি ঠাকুরের স্ট্যাচুর সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে মনে হবে আমি বাংলার মধ্যের রয়েছি।

লেখক: কবি ও সাংবাদিক, শেরপুর।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!