ads

রবিবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চৈত্র সংক্রান্তি আজ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ১৩, ২০২৫ ১:২০ অপরাহ্ণ

আজ ১৩ এপ্রিল ২০২৫, বাংলা ১৪২৫ সনের চৈত্র মাসের শেষ দিন—চৈত্র সংক্রান্তি। এটি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী উৎসব, যা পুরনো বছরের বিদায় ও নতুন বছরের আগমনের প্রাক্কালে পালিত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দিনটি শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।​

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, চৈত্র সংক্রান্তি মূলত সূর্যদেবের মেষ রাশিতে প্রবেশের দিন হিসেবে চিহ্নিত। বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে, এই দিনটি পুরনো বছরের অবসান ও নতুন বছরের সূচনার প্রতীক। প্রাচীনকাল থেকে বাংলার গ্রামীণ সমাজে এই দিনটি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়। এ দিনটি ‘শাকান্ন উৎসব’ নামে পরিচিত, যেখানে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি দিয়ে রান্না করা হয়। এছাড়া ‘হালখাতা’র মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা পুরনো হিসাব-নিকাশ শেষ করে নতুন বছরের জন্য নতুন খাতা খুলে থাকেন। ‘চড়ক পূজা’ ও ‘গম্ভীরা’র মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানও এই দিনে অনুষ্ঠিত হয়। ​

এদিকে ঢাকা শহরে চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করেছে। আজ বিকেল ৪টায় একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে বিজু উৎসব, লাঠি খেলা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নৃত্য, ঢাক-ঢোল পরিবেশনা, লোকনৃত্য, সাইদুলের কিচ্ছা এবং অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেলা, ঘুড়ি উৎসব, পুঁথি পাঠ, পুতুলনাট্য, পালাগান, গম্ভীরা ও রায়বেশের মতো লোকসংস্কৃতির নানা আয়োজন থাকবে। ​

Shamol Bangla Ads

এছাড়াও চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবে মেলা। মেলায় তালপাতার পাখা, বাঁশ-বেতের কুলা, চালনী, মাটির হাঁড়ি, সরা, ব্যাংক, শৌখিন সামগ্রী, খাদ্যদ্রব্য যেমন: লাড্ডু, তিলা, গজা, জিলাপি, বাতাসাসহ বাংলার ঐতিহ্যবাহী পণ্য বেঁচা-কেনা হবে। এছাড়া, বিভিন্ন এলাকায় ‘তালতলার শিরনি’ তৈরি করা হবে, যেখানে তালগাছের নিচে চাল ও তালের গুড় মিশিয়ে শিরনি তৈরি করা হয়। ​

Need Ads
error: কপি হবে না!