ঘরের মাটিতে বেশ শক্তিশালী বাংলাদেশ। সাধারণত ঘরের মাঠে সিরিজ হলেই প্রতিপক্ষকে ধীরগতির উইকেটে স্বাগত জানায় টাইগাররা। এমন উইকেটে খেলেই অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মত বড় দলের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে তারা। তবে দেশের বাইরে বা আইসিসির টুর্নামেন্টে গেলেই খেই হারায় ব্যাটাররা। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেন না।

অথচ ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও সবকটি বিশ্বকাপ খেলেছে। কিন্তু একবারও নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারেননি লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। বিশ্বকাপের পর বিশ্বকাপে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। এর একটি কারণ দাঁড় করেছেন টাইগারদের বর্তমান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার মতে, দেশের মাটিতে ভালো উইকেটে না খেলার কারণেই দলের এমন হাল।
নবম বিশ্বকাপ শুরুর আগে সংবাদ সংস্থা এএফপিকে শান্ত বলেন, ‘প্রথমত আমাদের ভালো উইকেটে খেলতে হবে। অনেকেই এটাকে অজুহাত হিসেবে দেখতে পারেন। তবে এটাই বাস্তবতা যে আমরা খুব কম ম্যাচই ভালো উইকেটে খেলি।’

ধীরগতির উইকেটে খেলতে খেলতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের স্ট্রাইক রেটও অন্য দেশের ব্যাটারদের থেকে বেশ কম। এবারের টি-টোয়েন্টি দলে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র তাওহিদ হৃদয়ের স্ট্রাইক রেটই ১৩০–এর বেশি—১৩১.৫৯।
বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, ব্যাটারদের স্ট্রাইক রেটে রাতারাতি পরিবর্তন করা যাবে না। এর জন্য সময় দিতে হবে। শান্ত বলেন, ‘ছয় মাসের মধ্যে সবকিছু বদলে ফেলা কঠিন। আমরা যদি ভালো উইকেটে এক-দুই বছর খেলতে থাকি, তাহলে স্ট্রাইক রেটের উন্নতি হবে।’
১ জুন থেকে বিশ্বকাপ শুরু হলেও বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে ৭ তারিখ (বাংলাদেশ সময় ৮ জুন সকাল সাড়ে ছয়টায়)। প্রথম ম্যাচ টাইগাররা খেলবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে। শান্তর বিশ্বাস ঠিকভাবে সব পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারলে ভালো কিছু করা সম্ভব।
শান্ত বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা যে ম্যাচগুলো খেলেছি, বিশ্বকাপে যদি আমরা সেরকম হতে পারি, যদি আমরা সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, যদি আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে ভালো কিছু করা সম্ভব।’




