ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ ভোলাহাটের সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের অর্থ আত্মসাতের সাথে জড়িত থাকা প্রমাণিত হওয়ার পর বোর্ড কর্তৃপক্ষের শোকজ নোটিশকে তোয়াক্কা না করে আবারও গায়ের জোরে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ছাড়াই তড়িঘড়ি করে রহস্য জনক ভাবে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ চুড়ান্ত করতে মেতে উঠায় বুধবার বিকেলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ভোলাহাট প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এ্যাড:মিজানুর রহমান। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তাদের বিদ্যালয়টি উপজেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসেবে খ্যাতি থাকলেও সভাপতি আফরাজুল হক বাবু ও প্রধান শিক্ষক আব্দুস শুকুর যোগসাজোস করে নানা অনিয়ম, দূর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করায় স্থানীয় প্রশাসনের নজরে পড়লে শুরু হয় তদন্ত প্রক্রিয়া। দীর্ঘ সময় তদন্ত শেষে উভয়ের অর্থ আত্মসাৎ, দূর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করে প্রশাসন। ফলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড বিদ্যালয় পরিদর্শক ১২নভেম্বর সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে ৩০ দিনের সময় সীমা বেঁধে দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না ব্যাখা চেয়ে শোকজ নোটিশ প্রেরণ করা হয়। শোকজ নোটিশ প্রাপ্তির পর সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তড়িঘড়ি করে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ছাড়াই অসৎ উদ্দেশ্যে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত থাকে।
বক্তব্যে আরো বলেন, তাদের দু’জনের এ ধরনের আচরণে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়াই বিদ্যালয়ের চরম ভাবমূর্তি নষ্ট হতে বসায় সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী করেছেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৬টি দপ্তরে লিখিত অভিযোগপত্র প্রেরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সাবিরুল ইসলাম, এ্যাড:মিজানুর রহমান, শিক্ষক প্রতিনিধি আলতাফুর রহমান, রুনালাইলা, সহকারী শিক্ষক সেলিম পারভেজ, নওসাদ আলী(ভোকেশনাল), গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মুনিরুল ইসলাম, মহব্বত আলী, আনসুর আলী প্রমূখ।




