এম.আবদুল্লাহ আনসারী, পেকুয়া (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের পেকুয়ায় টানা অবরোধের অজুহাতে দ্রব্য সামগ্রীর দাম লাগামহীন বেড়েই চলছে। টানা অবরোধের কারণে পেকুয়া পাইকারী দোকান ও আড়তগুলোতে পেয়াজ, জ্বালানীসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মজুদ শেষ হয়ে গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অবরোধের মধ্যভাগে যে পণ্যের দাম ছিল তা এখন দ্বিগুন অনেক ক্ষেত্রে ৪ গুণ বেড়ে গেছে। পেয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২শ টাকা দামে। একদিন আগেও পেয়াজের কেজি বিক্রি হয় ১শ টাকা, ৭ ডিসেম্বর সকালে বিক্রি হয় ১শ ১০ টাকা আর সন্ধ্যায় বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। ৯ ডিসেম্বর পেকুয়া বাজারে পেয়াজ বিক্রি করা হয়েছে ২শ টাকা। টানা অবরোধের কারণে চট্টগ্রাম থেকে পেয়াজ আসতে না পারায় পেয়াজসহ নিত্য দ্রব্য সামগ্রীর মজুদ কমে গেলে প্রত্যেক জিনিসপত্রের দাম বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে পেকুয়ার হাট বাজারে। কিন্তু পেয়াজের দামটা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে যা এখন ২শ টাকায় কতক্ষন থাকবে তা নিয়েও ক্রেতারা শংকিত।
পেকুয়া বাজার ও পেকুয়া চৌমুহনীর পাইকারী মুদির দোকান ও আড়তে খোজ নিয়ে দেখা গেছে পেয়াজের মওজুদ নেই। এছাড়া দেশীয় মূলা বিক্রি করা হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কাচা মরিচ ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা ফুলকপি ৩০-৪০ টাকা, আলু ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ক্রেতারা বলেন, মৌসুমী এসব তরকারীর বর্তমান বাজার মূল্য থেকে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কেজি প্রতি ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত নিচ্ছে। এদিকে তরকারী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, কাচা তরকারীর পাইকারী বাজার সকাল বিকাল ঠিক থাকেনা। অবরোধের কারণে সরবরাহ করতে না পারায় তাদেরও চড়া দামে ক্রয় করতে হচ্ছে। ক্রেতারা ও সচেতন মহল মনেকরেন, অবরোধ ও হরতালের কারণে চকরিয়া পেকুয়ায় মৌসুমী সবজির সরবরাহ ও বেচা বিক্রিতে কোন প্রকার প্রভাব পড়ার কথা নয়। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে করে নিজেদের মতো করে দর হাকিয়ে নিচ্ছে।




