ads

রবিবার , ৮ ডিসেম্বর ২০১৩ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝালকাঠি পাক হানাদার মুক্ত দিবস

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ডিসেম্বর ৮, ২০১৩ ৪:০৯ অপরাহ্ণ
ঝালকাঠি পাক হানাদার মুক্ত দিবস

ঝালকাঠি সংবাদদাতা :  ৮ডিসেম্বর,ঝালকাঠি পাক হানাদার মুক্ত দিবস।‘৭১ এর এই দিনে ঝালকাঠি মুক্তাঞ্চলে পরিনত হয়েছিল। বিজয়ীর বেশে বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করে। জেলার সর্বত্র আনন্দ উল­াসের পাশাপাশি শুরু হয় বিভিন্ন গণকবর আর বধ্যভূমিতে হারানো স্বজনের লাশ খোঁজার পালা। ‘৭১ এর ২৭ এপ্রিল ভারী কামান আর মর্টার শেল এর গোলা নিক্ষেপ করতে করতে পাক হানাদার বাহিনী ঝালকাঠি শহর দখলে নেয়। তারা দ্বিতীয কলকাতা খ্যাত বাণিজ্য বন্দরে আগুন লাগিয়ে দেয়, পুড়ে ছাই হয়ে যায় বার্মা তেল ডিপো সহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এরপর থেকে পাক বাহিনী তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর আর আল শামসের সহায়তায় ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলা জুড়ে হত্যা, ধর্ষণ, লুট আর আগ্নি সংযোগসহ নারকীয় নির্যাতন চালায়। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন মুক্তিযোদ্ধাসহ নিরীহ বাঙ্গালীদের ধরে  এনে পালবাড়ী টর্চার সেলে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন চালানোর পর সুগন্ধা তীরবর্তী পৌরসভা  খেয়াঘাট এলাকায় সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করত। এখানে কমপক্ষে ১০ হাজার লোককে হত্যাকরা হয়। এছারা জেলার বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা ও বাঙ্গালীদে হত্যা করে মাটি চাপা দেয়। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধে টিকতে না পেরে ৭ ডিসেম্বর শহরে কারফিউ জারি করে রাতের আঁধারে পাক বাহিনী ঝালকাঠি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরের দিন রাজাকাররা ঝুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করলে মুক্ত হয় ঝালকাঠি। এ পর্যন্ত জেলায় ২১টি বধ্যভূমি ও গণকবর আবিস্কৃত হলেও সরকারী ভাবে সেগুলো সংরক্ষনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এ দিবস উপলক্ষে  রোববার একটি র‌্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!