আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলী উপজেলার মধ্য কৃষ্ণনগর কমিনিউটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হাসিনা পারভীন ভূয়া শিক্ষার্থী দেখিয়ে উপবৃত্তির লক্ষাধিক টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এ ব্যাপারে স্থানীয় সবুজ হাওলাদার বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগও করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হাসিনা পারভীন অন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিজের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও ভূয়া নাম দেখিয়ে প্রথম শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত ১৬ জন ছাত্র/ছাত্রীর জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় লক্ষাধিক টাকা আত্মসাত করেন ।
আরো জানা গেছে, যাদের নামে উপবৃত্তির টাকা ছাড়ানো হচ্ছে উক্ত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্য কেহ পড়াশুনা বন্ধ করে দিয়েছে কেহ মৌলিক বিদ্যালয়ে,মাদ্রাসায় ,অন্যস্কুলে পড়াশুনা করছে ও উপবৃত্তির টাকা নিচ্ছে এবং যে সব ছাত্র-ছাত্রী অনিয়মিত বিদ্যালয় আসে তাদের কে খাতায় উপস্থিত দেখাইয়া উপবৃত্তির টাকা প্রদান করে ও সেখান থেকে অর্ধেক টাকা প্রতিবার বিতরনের সময় রেখে দেন সহকারী শিক্ষিকা হাসিনা পারভীন তাকে এ কাজে সহায়তা করেন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও হাসিনা পারভিনের শশুর আঃ মজিদ হাওলাদার(মধু)।

জানা গেছে, কুকুয়া কমিনিউটি প্রাঃ বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনী ছাগ্রী স্বর্না (রোল ১০) গোছখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত (রোল নং ৮ )। গোছখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফারুখ আলম বলেন স্বর্না তার স্কুলের ছাত্রী। আরেক ছাত্র তারেক শ্রেনী ৩য় রোল ২৯ উত্তর রওঘা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাকে মধ্য কৃষ্ণনগর কমিনিউটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী দেখিয়ে উপবৃত্তির টাকা তোলা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষিকা হাসিনা পারভীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. জেসমিন আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান তদন্তেপ্রমানিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।




